শুরু হচ্ছে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশন

রাজধানীর জাতীয় সংসদ ভবন-এ আজ (১২ মার্চ) শুরু হচ্ছে বাংলাদেশ জাতীয় সংসদ-এর ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশন।
বিজ্ঞাপন
এবারের সংসদে সরকার গঠন করেছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)। অন্যদিকে বিরোধী দলে রয়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী এবং শিক্ষার্থীদের নেতৃত্বে গঠিত জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)।
প্রথা অনুযায়ী পবিত্র ধর্মগ্রন্থ পাঠের মধ্য দিয়ে অধিবেশনের আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম শুরু হবে। স্পিকার নির্বাচিত না হওয়ায় সরকারি দলের একজন জ্যেষ্ঠ সংসদ সদস্য শুরুতে সভাপতিত্ব করবেন। পরে স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকার নির্বাচনের মাধ্যমে অধিবেশন পরিচালনার দায়িত্ব নেবেন নতুন স্পিকার।
বিজ্ঞাপন
সংসদ সচিবালয়ের তথ্য অনুযায়ী, প্রথম দিনের কার্যসূচিতে মোট সাতটি বিষয় রয়েছে। স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকার নির্বাচনের পাশাপাশি সংসদীয় কমিটির সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য মনোনয়ন দেওয়া হবে। এছাড়া প্রয়াত সংসদ সদস্য ও বিশিষ্ট ব্যক্তিদের স্মরণে শোক প্রস্তাব গ্রহণ করা হবে।
প্রথম অধিবেশনে ২০২৪ সালের জুলাই আন্দোলনের বিষয়টিও গুরুত্ব পাচ্ছে। এ উপলক্ষে ওই সময় রাজধানীর ফার্মগেটে গুলিবিদ্ধ হয়ে নিহত গোলাম নাফিজের রিকশাচালকসহ চারজন নিহতের পরিবারের সদস্যদের অধিবেশনে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে।
বিজ্ঞাপন
অধিবেশনে অন্তর্বর্তী সরকারের সময় জারি করা অধ্যাদেশগুলোও উত্থাপন করা হবে। সংবিধানের ৯৩ অনুচ্ছেদের ২ অনুযায়ী আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান সংসদে মোট ১৩৩টি অধ্যাদেশ উপস্থাপন করবেন। এসব অধ্যাদেশ অনুমোদন, সংশোধন বা বাতিলের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবে সংসদ।
এছাড়া জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী আব্দুল বারী বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন-এর ২০২৪ সালের বার্ষিক প্রতিবেদন সংসদে উপস্থাপন করবেন। বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের সংসদীয় স্থায়ী কমিটিও গঠন করা হবে।
অধিবেশনের শেষ পর্যায়ে সংসদে উদ্বোধনী ভাষণ দেবেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন। এরপর রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর আলোচনা করবেন সংসদ সদস্যরা। প্রথম অধিবেশন প্রায় এক মাস চলতে পারে বলে জানা গেছে।
বিজ্ঞাপন
তবে রাষ্ট্রপতির ভাষণকে ঘিরে আপত্তি তুলেছে বিরোধী দল। সৈয়দ আবদুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের বলেছেন, সংসদে রাষ্ট্রপতির ভাষণ দেওয়ার সাংবিধানিক অধিকার নেই বলে তারা মনে করেন। ডেপুটি স্পিকার নিয়ে আনুষ্ঠানিক প্রস্তাব এলে সে বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
অন্যদিকে বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, দায়িত্বশীল বিরোধী দলের ভূমিকা পালন করবে জামায়াত। সব বিষয়ে অকারণ বিরোধিতা করা হবে না, আবার না বুঝে সমর্থনও দেওয়া হবে না।








