নতুন সাজে সেজেছে জাতীয় ঈদগাহ

পবিত্র ঈদুল ফিতরের আগমনী বার্তা ও উচ্ছ্বাসে ভরে উঠেছে রাজধানীর জাতীয় ঈদগাহ। এবার ময়দানটি বিশেষভাবে সাজানো হয়েছে, যাতে হাজির মুসল্লিরা নিরাপদ ও আরামদায়ক পরিবেশে ঈদের নামাজ আদায় করতে পারেন।
বিজ্ঞাপন
ময়দানের চারপাশ পরিচ্ছিন্ন করে রাখা হয়েছে, আর প্রধান ফটকের সামনে নান্দনিকভাবে স্থাপন করা হয়েছে তোরণ। তোরণটিতে লেখা রয়েছে: “ওহ মন রমজানে, ঐ রোজার শেষে এলো খুশির ঈদ। ঈদ মোবারক।”
পুরো ময়দান ত্রিপল দিয়ে ঢেকে দেওয়া হয়েছে এবং সারি সারি কার্পেট বিছানো হয়েছে। পর্যাপ্ত ফ্যান, বিদ্যুতের বিকল্প ব্যবস্থা এবং লাইনের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। মুসল্লিদের অজুর জন্য নতুনভাবে ট্যাপ স্থাপন করা হয়েছে এবং সুপেয় পানি সরবরাহের বন্দোবস্ত আছে।
বিজ্ঞাপন
নিরাপত্তা ও সেবা ব্যবস্থার দিকে বিশেষ মনোযোগ দেওয়া হয়েছে। জাতীয় ঈদগাহে পুলিশ ও র্যাবের নিয়ন্ত্রণ কক্ষ, স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্র এবং ফায়ার ব্রিগেডের একটি টিম উপস্থিত থাকবে। প্রবেশপথ দুটি করা হয়েছে—ভিআইপিদের জন্য সুপ্রিম কোর্ট প্রাঙ্গণ দিয়ে আলাদা গেইট এবং মহিলাদের জন্য আলাদা নামাজের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।
ডিএমপি ভারপ্রাপ্ত কমিশনার মো. সরওয়ার জানিয়েছেন, এবার শুধুমাত্র জায়নামাজ, ছাতা ও মোবাইল ফোন নিয়ে ময়দানে প্রবেশ করা যাবে; ব্যাগ বা কোনো দাহ্য বস্তু আনা যাবে না। জাতীয় ঈদগাহে সকাল সাড়ে ৮টায় প্রধান জামাত অনুষ্ঠিত হবে। বায়তুল মোকাররমে মোট পাঁচটি জামাতের আয়োজন করা হয়েছে। এছাড়া ঢাকা মহানগরে ১২১টি ঈদগাহ প্রস্তুত রয়েছে। ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের বাণিজ্য মেলাতেও জামাতের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।
বিজ্ঞাপন
নিরাপত্তার জন্য একাধিক স্তরের ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। প্রবেশপথে আর্চওয়ে ও মেটাল ডিটেক্টর বসানো হবে, এবং আশপাশের এলাকা সিসি ক্যামেরার মাধ্যমে মনিটর করা হবে। ঈদগাহের আশেপাশে কোনো যানবাহন পার্কিং বা প্রবেশ করতে পারবে না। মৎস্য ভবন, প্রেসক্লাব এবং শিক্ষা ভবনকে এন্ট্রি পয়েন্ট হিসেবে নির্ধারণ করা হয়েছে।
ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণের জন্য বিভিন্ন রুটে ডাইভারশন থাকবে, বিশেষ করে জিরো পয়েন্ট, সরকারি কর্মচারী হাসপাতাল, দোয়েল চত্বর ও মৎস্য ভবনের এলাকায়। যদি বৃষ্টি বা অন্য কোনো প্রতিকূল আবহাওয়া থাকে, তাহলে বিকল্পভাবে সকাল ৯টায় বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদে জামাতের ব্যবস্থা করা হয়েছে।








