পরিবেশ রক্ষার জন্য সৈকত হবে স্থাপনামুক্ত: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদের পর পরিস্থিতি পরিদর্শন করেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমেদ। রবিবার (২২ মার্চ) বিকেলে ঢাকায় ফেরার আগে তিনি সৈকতের সুগন্ধা পয়েন্টে এসে উচ্ছেদকৃত এলাকা ঘুরে দেখেন এবং অভিযান পরবর্তী পরিস্থিতি মূল্যায়ন করেন।
বিজ্ঞাপন
পরিদর্শনের সময় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জেলা প্রশাসক, প্রশাসনের স্থানীয় কর্মকর্তারা এবং ব্যবসায়ীদের সঙ্গে কথা বলেন। তিনি কঠোরভাবে নির্দেশ দেন যে, সমুদ্র সৈকতের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য ও পরিবেশ রক্ষার স্বার্থে বালিয়াড়ির ওপর কোনো স্থাপনা রাখা যাবে না। সৈকতের বালিয়াড়ি কোনোভাবেই দখল হতে পারবে না এবং সম্পূর্ণভাবে স্থাপনামুক্ত রাখতে হবে।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, সরকার কক্সবাজার সৈকতের মূল সৌন্দর্য বজায় রাখতে বালিয়াড়িকে স্থাপনামুক্ত রাখার সিদ্ধান্তে অটল। এই নীতি পরিবর্তন করা হবে না।
বিজ্ঞাপন
এর আগে কক্সবাজার সফরে এসে জেলা আইনশৃঙ্খলা কমিটির সভায় মন্ত্রী সব অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদে নির্দেশ দিয়েছিলেন। তার নির্দেশনার ধারাবাহিকতায় জেলা প্রশাসনের অভিযানে সুগন্ধা ও কলাতলী পয়েন্টের বালিয়াড়ি দখলমুক্ত করা হয়।
উচ্ছেদ অভিযানে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীরা পুনর্বাসনের দাবি জানালে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আশ্বাস দেন, তবে পরিবেশ ও সৈকতের সৌন্দর্য রক্ষা সরকারের অগ্রাধিকার হবে।
বিজ্ঞাপন
তিনি আরও বলেন, পর্যটকদের জন্য সুন্দর, প্রাকৃতিক ও পরিচ্ছন্ন সৈকত নিশ্চিত করাই আমাদের মূল লক্ষ্য। কেউ যদি বালিয়াড়ি দখল করতে বা স্থাপনা নির্মাণের চেষ্টা করে, সরকার তার বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেবে।
বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, কক্সবাজার সৈকত বিশ্বের দীর্ঘতম প্রাকৃতিক সৈকতের মধ্যে অন্যতম। স্থাপনামুক্ত রাখার এই উদ্যোগ পর্যটন ও প্রাকৃতিক ভারসাম্য বজায় রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।








