আমরা পোমেল বড়ুয়ার ফাঁসি চাই: শহীদ আবু সাঈদের বড় ভাই

জুলাই-আগস্ট গণঅভ্যুত্থানের প্রথম শহীদ ও আন্দোলনের অন্যতম প্রতীক আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ে পুরোপুরি সন্তুষ্ট নন তার পরিবারের সদস্যরা। বিশেষ করে তার দুই ভাই রায়ের কিছু অংশ নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন এবং ভবিষ্যতে আপিলের সম্ভাবনার কথাও জানিয়েছেন।
বিজ্ঞাপন
বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এ রায় ঘোষণার পর তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় শহীদের মেজো ভাই আবু হোসেন বলেন, সরাসরি গুলি চালানো দুই পুলিশ সদস্যের মৃত্যুদণ্ডে তারা সন্তুষ্ট হলেও, নির্দেশদাতাদের ক্ষেত্রে একই ধরনের শাস্তি না হওয়ায় হতাশা রয়ে গেছে। তার অভিযোগ, যারা গুলির নির্দেশ দিয়েছেন, তাদের বিরুদ্ধে কঠোর শাস্তি দেওয়া হয়নি।
তিনি আরও জানান, পুরো রায়ের বিশদ এখনো পর্যালোচনা করা হয়নি। বিষয়টি নিয়ে প্রসিকিউশনের সঙ্গে আলোচনা করে পরবর্তী পদক্ষেপ, বিশেষ করে আপিলের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
বিজ্ঞাপন
অন্যদিকে, বড় ভাই রমজান আলী বলেন, আশা করেছিলাম এই মামলায় পূর্ণাঙ্গ ন্যায়বিচার পাব। বাংলার মাটিতে আবু সাঈদ হত্যার সঠিক বিচার হলে দেশে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠিত হতো। কিন্তু আজকের রায়ে পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের পাশাপাশি বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি পোমেল বড়ুয়ার ফাঁসির আদেশ না হওয়ায় আমরা ব্যথিত। আমরা পোমেল বড়ুয়ার ফাঁসি চাই।
উল্লেখ্য, ঘোষিত রায়ে দুই পুলিশ সদস্যকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছে। এছাড়া তিনজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। বাকি ২৫ জন আসামির মধ্যে পাঁচজনকে ১০ বছর, আটজনকে পাঁচ বছর এবং ১১ জনকে তিন বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। এছাড়া একজন আসামির ক্ষেত্রে পূর্বে কারাভোগের সময়কেই সাজা হিসেবে গণ্য করা হয়েছে।







