Logo

কেআইবি-এ্যাব নেতাদের জড়িয়ে মিথ্যা প্রচারণা, নিন্দা ও প্রতিবাদ

profile picture
নিজস্ব প্রতিবেদক
৭ জুন, ২০২৬, ১৯:১১
কেআইবি-এ্যাব নেতাদের জড়িয়ে মিথ্যা প্রচারণা, নিন্দা ও প্রতিবাদ
ছবি: সংগৃহীত

কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশন বাংলাদেশ (কেআইবি) এবং অ্যাগ্রিকালচারিস্টস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (এ্যাব)-এর কয়েকজন শীর্ষ নেতাকে জড়িয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও বিভিন্ন অনলাইন প্ল্যাটফর্মে মিথ্যা, বানোয়াট এবং উদ্দেশ্যপ্রণোদিত তথ্য ছড়ানোর অভিযোগ উঠেছে। এসব প্রচারণার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন সংগঠনটির নেতারা।

বিজ্ঞাপন

একই সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে প্রচলিত আইনে ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে।

রবিবার (৭ জুন) রাজধানীর ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে আয়োজিত এক জরুরি সংবাদ সম্মেলনে এ্যাবের নেতারা এ অভিযোগ তুলে ধরেন।

বিজ্ঞাপন

কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশন বাংলাদেশ (কেআইবি) এবং অ্যাগ্রিকালচারিস্টস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (এ্যাব)-এর কয়েকজন শীর্ষ নেতাকে জড়িয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও বিভিন্ন অনলাইন প্ল্যাটফর্মে মিথ্যা, বানোয়াট এবং উদ্দেশ্যপ্রণোদিত তথ্য ছড়ানোর অভিযোগ উঠেছে। এসব প্রচারণার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন সংগঠনটির নেতারা।

রোববার (৭ জুন) রাজধানীর ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে আয়োজিত এক জরুরি সংবাদ সম্মেলনে এ্যাবের নেতারা এ অভিযোগ তুলে ধরেন।

সংবাদ সম্মেলনে এ্যাবের আহ্বায়ক ড. কামরুজ্জামান কায়সার বলেন, সম্প্রতি সংগঠনের সদস্যসচিবসহ কয়েকজন নেতার বিরুদ্ধে কেআইবির তহবিল থেকে ভয়ভীতি প্রদর্শন করে ৪ লাখ টাকা আদায়ের অভিযোগ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়ানো হচ্ছে। তিনি বলেন, অভিযোগটি সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন এবং বাস্তবতার সঙ্গে এর কোনো মিল নেই।

বিজ্ঞাপন

তিনি জানান, প্রধানমন্ত্রীর একটি কর্মসূচি উপলক্ষে কেআইবি ভবনের অবকাঠামোগত উন্নয়ন, সংস্কার ও সৌন্দর্যবর্ধনের কাজ সম্পন্ন করা হয়েছিল। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ ও দায়িত্বপ্রাপ্ত কৃষিবিদদের তত্ত্বাবধানে এসব কাজ বাস্তবায়ন করা হয়। পরে কাজের বকেয়া বিল পরিশোধের অংশ হিসেবেই ওই অর্থ যথাযথ প্রক্রিয়ায় ঠিকাদার ও সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানের কাছে দেওয়া হয়েছিল। সেখানে কোনো ধরনের জবরদস্তি বা অনৈতিক অর্থ আদায়ের ঘটনা ঘটেনি বলে তিনি দাবি করেন।

সংবাদ সম্মেলনে এ্যাবের সদস্যসচিব শাহাদত হোসেন বিপ্লব বলেন, একটি অসাধু চক্র কেআইবির হিসাব বিভাগের সহকারী ব্যবস্থাপক দিলিপ কুমার সরকারের কাছ থেকে চাপ প্রয়োগ করে একটি ভিডিও বক্তব্য ধারণ করে। পরে সেই ভিডিওর নির্দিষ্ট অংশ কেটে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে বিভ্রান্তিকর পরিস্থিতি তৈরির চেষ্টা করা হয়।

বিজ্ঞাপন

তিনি আরও বলেন, পরবর্তীতে দিলিপ কুমার সরকার নিজেই আরেকটি ভিডিও বার্তায় স্পষ্ট করেছেন যে, তাকে কোনো ধরনের ভয়ভীতি দেখানো হয়নি এবং সংশ্লিষ্ট অর্থ কেআইবি ভবনের সংস্কারকাজের বকেয়া বিল হিসেবেই পরিশোধ করা হয়েছিল।

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত থেকে দিলিপ কুমার সরকারও একই ধরনের বক্তব্য দেন। তিনি বলেন, তার ভিডিওর একটি অংশ কেটে প্রচার করা হয়েছে, যা প্রকৃত ঘটনার প্রতিফলন নয়। তিনি দাবি করেন, আইন ও নিয়ম মেনেই সব কার্যক্রম সম্পন্ন করা হয়েছে।

এ্যাবের আহ্বায়ক আরও জানান, বিষয়টি সামনে আসার পর দেশের জ্যেষ্ঠ ও সম্মানিত কৃষিবিদদের উদ্যোগে উভয় পক্ষের মধ্যে আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়। সে সময় আর্থিক লেনদেনসংক্রান্ত নথিপত্র পর্যালোচনা করে বিষয়টি মূলত ভুল বোঝাবুঝি ও তথ্যের অপব্যাখ্যা থেকে সৃষ্টি হয়েছে বলে সিদ্ধান্তে পৌঁছানো হয়। পরবর্তীতে বিষয়টির নিষ্পত্তিও হয় এবং সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর মধ্যে আর কোনো বিরোধ ছিল না।

বিজ্ঞাপন

তার ভাষ্য অনুযায়ী, দীর্ঘদিন আগে নিষ্পত্তি হওয়া একটি ঘটনাকে আবার সামনে এনে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে বিভ্রান্তি ছড়ানোর চেষ্টা চলছে। এর মাধ্যমে দেশের কৃষিবিদ সমাজ, কেআইবি এবং এ্যাবের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করার অপচেষ্টা চালানো হচ্ছে বলেও তিনি অভিযোগ করেন।

সংবাদ সম্মেলনে এ্যাবের বর্তমান সাংগঠনিক পরিস্থিতি নিয়েও কথা বলেন ড. কামরুজ্জামান কায়সার। তিনি জানান, বর্তমানে সংগঠনের ছয় সদস্যের কমিটির মধ্যে একজন সদস্য সংগঠনের সিদ্ধান্তের বাইরে অবস্থান করছেন এবং বিভিন্নভাবে সংগঠনকে বিতর্কিত করার চেষ্টা করছেন। এ বিষয়ে বিএনপির উচ্চপর্যায়ে লিখিত অভিযোগ দেওয়া হবে এবং মিথ্যা তথ্য প্রচারের অভিযোগে তার বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থাও নেওয়া হবে।

পরে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি জানান, ওই সদস্য হলেন শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় ইউনিটের এ্যাব সদস্য ড. শফিকুল ইসলাম শফিক।

বিজ্ঞাপন

সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন এ্যাবের সদস্য শাহাদত হোসেন চঞ্চল, অধ্যাপক ড. জামশেদ আলম, নুরুন্নবী শ্যামল এবং হিসাবরক্ষণ কর্মকর্তা দিলিপ কুমার সরকারসহ সংগঠনের অন্যান্য নেতারা।

জেবি/এসডি

জনবাণী এর সকল স্বত্ব সংরক্ষিত। কপিরাইট © ২০২৬

Developed by: AB Infotech LTD