Logo

কেআইবিতে মারামারি : ডিএই’র দুই কর্মকর্তা স্ট্যান্ড রিলিজ

profile picture
নিজস্ব প্রতিবেদক
১০ জুন, ২০২৬, ২১:২০
কেআইবিতে মারামারি : ডিএই’র দুই কর্মকর্তা স্ট্যান্ড রিলিজ
ছবি: সংগৃহীত

কৃষিবিদ ইনস্টিটিউট বাংলাদেশ (কেআইবি) প্রাঙ্গণে সংঘটিত মারামারির ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের (ডিএই) দুই কর্মকর্তাকে তাৎক্ষণিকভাবে স্ট্যান্ড রিলিজ করা হয়েছে। প্রশাসনিক শৃঙ্খলা রক্ষা এবং অনাকাঙ্ক্ষিত আচরণের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা হিসেবে কৃষি মন্ত্রণালয় এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

বিজ্ঞাপন

বুধবার (১০ জুন) কৃষি মন্ত্রণালয়ের সম্প্রসারণ-১ শাখা থেকে জারি করা পৃথক দুটি প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়।

স্ট্যান্ড রিলিজ হওয়া কর্মকর্তারা হলেন— ডিএই’র প্রশাসন ও অর্থ উইংয়ের অতিরিক্ত উপপরিচালক (প্রশাসন-২) এ এ মাসুম বিল্লাহ এবং উদ্ভিদ সংগনিরোধ উইংয়ের অতিরিক্ত উপপরিচালক (আমদানি) বনি আমিন খান।

বিজ্ঞাপন

প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে, নতুন কর্মস্থলে যোগদানের উদ্দেশ্যে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের ১০ জুনের মধ্যেই বর্তমান দপ্তর থেকে অবমুক্ত হতে হবে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে অবমুক্ত না হলে ওই দিন বিকেল থেকেই তাদের স্বয়ংক্রিয়ভাবে অবমুক্ত হিসেবে গণ্য করা হবে।

মন্ত্রণালয়ের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, এ এ মাসুম বিল্লাহকে সুনামগঞ্জে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের অতিরিক্ত উপপরিচালক (উদ্যান) হিসেবে বদলি করা হয়েছে। অন্যদিকে বনি আমিন খানকে নড়াইলে অতিরিক্ত উপপরিচালক (শস্য) পদে পদায়ন করা হয়েছে।

একই সঙ্গে বনি আমিন খানের বিষয়ে পূর্বে জারি করা একটি বদলি আদেশের আংশিক সংশোধনও করা হয়েছে বলে প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ রয়েছে।

বিজ্ঞাপন

মন্ত্রণালয় ও সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, সম্প্রতি কেআইবি চত্বরে দুই কর্মকর্তার মধ্যে উত্তেজনাকর পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়, যা পরে মারামারি ও হট্টগোলে রূপ নেয়। সরকারি কর্মকর্তাদের এমন আচরণ প্রশাসনের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করেছে বলে মনে করছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।

ঘটনার পর খামারবাড়ি এলাকায় প্রশাসনিক শৃঙ্খলা বজায় রাখা এবং ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনা নিরুৎসাহিত করতেই দ্রুত শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট সূত্র।

বিজ্ঞাপন

এর আগে চলতি বছরের ১ ফেব্রুয়ারি বনি আমিন খানকে বদলির একটি আদেশ জারি করা হয়েছিল। তবে ওই নির্দেশনা কার্যকর না করে তিনি আগের দায়িত্বেই বহাল ছিলেন বলে জানা গেছে। সর্বশেষ ঘটনায় তার বিরুদ্ধে প্রশাসনিক অবস্থান আরও কঠোর করা হয়েছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের আচরণ নিয়ে কৃষি মন্ত্রণালয়ের অভ্যন্তরেও আলোচনা তৈরি হয়েছে। প্রশাসনিক মহলের মতে, সরকারি প্রতিষ্ঠানে শৃঙ্খলা ও পেশাদার আচরণ বজায় রাখতে এ ধরনের ঘটনায় দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া প্রয়োজন ছিল।

জেবি/এএস

জনবাণী এর সকল স্বত্ব সংরক্ষিত। কপিরাইট © ২০২৬

Developed by: AB Infotech LTD