সৌর খাতে বড় প্রণোদনা, কর-শুল্ক ছাড়ের প্রস্তাব

দেশে সৌর বিদ্যুৎ উৎপাদনকারী শিল্পের বিকাশে বড় ধরনের প্রণোদনা দেওয়ার ঘোষণা এসেছে। এই খাতে আমদানি করা গুরুত্বপূর্ণ উপকরণে কর ও শুল্ক ছাড়ের প্রস্তাব করা হয়েছে।
বিজ্ঞাপন
বৃহস্পতিবার (১১ জুন) বিকেলে জাতীয় সংসদে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেট উপস্থাপনকালে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী এ তথ্য জানান।
তিনি বলেন, নবায়নযোগ্য ও টেকসই জ্বালানির মধ্যে সৌর বিদ্যুৎ অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ উৎস। এ খাতের প্রসারে সংশ্লিষ্ট উপকরণ আমদানিতে বিদ্যমান আমদানি শুল্ক, রেগুলেটরি শুল্ক, সম্পূরক শুল্ক ও আগাম কর শূন্য শতাংশ করার প্রস্তাব করা হয়েছে। এ বিষয়ে নতুন প্রজ্ঞাপন জারির পরিকল্পনাও রয়েছে।
বিজ্ঞাপন
অর্থমন্ত্রী আরও জানান, দীর্ঘমেয়াদি উন্নয়নের স্বার্থে এই প্রজ্ঞাপন ২০৩১ সালের ৩০ জুন পর্যন্ত বহাল রাখার প্রস্তাব করা হয়েছে। তবে দেশীয় শিল্পকে উৎসাহ দিতে মাউন্টিং স্ট্রাকচার, লিথিয়াম সেল, ব্যাটারি প্যাক ও ব্যাটারি এনার্জি স্টোরেজ সিস্টেমসহ কিছু পণ্যের ক্ষেত্রে রেয়াতি সুবিধা ৩০ জুনের পর প্রত্যাহারের প্রস্তাব রয়েছে।
বাজেট বক্তব্যে তিনি জানান, ‘গণতান্ত্রিক, মানবিক ও অন্তর্ভুক্তিমূলক অর্থনীতির অভিযাত্রা’ প্রতিপাদ্য নিয়ে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটের আকার ধরা হয়েছে ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকা। রাজস্ব আয়ের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ৬ লাখ ৯৫ হাজার কোটি টাকা। এতে ঘাটতি দাঁড়াচ্ছে ২ লাখ ৪৩ হাজার কোটি টাকা।
বিজ্ঞাপন
ঘাটতি পূরণে অভ্যন্তরীণ ও বৈদেশিক দুই উৎস থেকেই অর্থ সংগ্রহের পরিকল্পনা রয়েছে। এর মধ্যে বৈদেশিক ঋণ ও অনুদান থেকে ১ লাখ ১৬ হাজার কোটি টাকা এবং অভ্যন্তরীণ উৎস থেকে ১ লাখ ২৭ হাজার কোটি টাকা সংগ্রহ করা হবে। অভ্যন্তরীণ উৎসের মধ্যে ব্যাংক ব্যবস্থা থেকে ১ লাখ ১২ হাজার কোটি টাকা এবং সঞ্চয়পত্রসহ অন্যান্য উৎস থেকে ১৫ হাজার কোটি টাকা নেওয়ার লক্ষ্য রয়েছে।
বাজেটে দেশের মোট দেশজ উৎপাদন (জিডিপি) ধরা হয়েছে ৬৮ লাখ ৩০ হাজার ২৪ কোটি টাকা। পাশাপাশি আগামী অর্থবছরে মূল্যস্ফীতি ৭ দশমিক ৫ শতাংশে নামিয়ে আনার এবং অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ৬ দশমিক ৫ শতাংশে উন্নীত করার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।








