Logo

চাপ নয়, চাহিদা মেটাতেই বোয়িং কেনা হচ্ছে: হুমায়ুন কবির

profile picture
নিজস্ব প্রতিবেদক
১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১৭:০১
চাপ নয়, চাহিদা মেটাতেই বোয়িং কেনা হচ্ছে: হুমায়ুন কবির
ছবি: সংগৃহীত

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কাছ থেকে বোয়িং উড়োজাহাজ কেনার সিদ্ধান্ত কোনো ধরনের চাপের ফল নয়, বরং দেশের ক্রমবর্ধমান এভিয়েশন খাতের প্রয়োজন বিবেচনায় নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির।

বিজ্ঞাপন

মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

হুমায়ুন কবির বলেন, বাংলাদেশের বর্তমান এয়ারক্রাফট বহরে প্রয়োজনীয় সক্ষমতা নেই। ফলে নতুন আন্তর্জাতিক রুট চালু করা এবং বিদ্যমান রুটে প্রতিযোগিতা ধরে রাখার জন্য উড়োজাহাজের সংখ্যা ও সক্ষমতা বাড়ানো জরুরি। তা না হলে বাংলাদেশ নতুন রুট সম্প্রসারণের সুযোগ হারাবে এবং সম্ভাব্য ব্যবসাও অন্যদের হাতে চলে যেতে পারে।

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

তিনি বলেন, যাত্রী সংখ্যা ও রাজস্ব বাড়ানোর পাশাপাশি বাংলাদেশকে একটি আঞ্চলিক এভিয়েশন হাব হিসেবে গড়ে তুলতে হলে দীর্ঘমেয়াদে নতুন উড়োজাহাজ সংগ্রহ করতেই হবে। এ অঞ্চলের গুরুত্বপূর্ণ প্রবেশদ্বার হিসেবে বাংলাদেশকে প্রতিষ্ঠিত করতে হলে আরও বেশি গন্তব্যে বিমান পরিচালনার সক্ষমতা তৈরি করা প্রয়োজন।

পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বলেন, এ ক্ষেত্রে ইথিওপিয়ান এয়ারলাইন্সের সম্প্রসারণ একটি উদাহরণ। প্রতিষ্ঠানটির বহরে ১৫০টির বেশি উড়োজাহাজ রয়েছে। বাংলাদেশের ক্ষেত্রেও আগামী ১০ থেকে ১৫ বছরে ৭০ থেকে ৮০টি কিংবা তারও বেশি উড়োজাহাজের প্রয়োজন হতে পারে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

বিজ্ঞাপন

তিনি বলেন, “আমাদের প্রয়োজন অনুযায়ী আমরা নীতিগতভাবে সিদ্ধান্ত নিয়েছি, আমরা বোয়িং বিমান কিনব।” তবে বর্তমান চাহিদার তুলনায় তাৎক্ষণিকভাবে উড়োজাহাজের সংখ্যা খুব বেশি নাও হতে পারে বলে জানান তিনি।

বাংলাদেশের বোয়িং কেনার মতো অর্থনৈতিক সক্ষমতা রয়েছে কি না—এমন প্রশ্নের জবাবে হুমায়ুন কবির বলেন, দেশের প্রয়োজন ও ক্রয়ক্ষমতার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখেই উড়োজাহাজ কেনার সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন করা হবে।

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

তিনি বলেন, এভিয়েশন খাতের চাহিদা পূরণ, যাত্রীসেবা সম্প্রসারণ এবং দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া, মধ্যপ্রাচ্যসহ আরও বিস্তৃত আন্তর্জাতিক রুটে বাংলাদেশকে একটি এভিয়েশন হাবে পরিণত করাই সরকারের লক্ষ্য।

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্কের প্রসঙ্গে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বলেন, ওয়াশিংটনের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্ক অত্যন্ত ভালো। একইভাবে চীনের সঙ্গেও বাংলাদেশের সুসম্পর্ক রয়েছে। দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক থাকা দেশগুলোর মধ্যে যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশের অন্যতম প্রধান উন্নয়ন সহযোগী। ভবিষ্যতে দেশটির সঙ্গে বাণিজ্য ও বিনিয়োগ আরও বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হবে।

জেবি/এএস

জনবাণী এর সকল স্বত্ব সংরক্ষিত। কপিরাইট © ২০২৬

Developed by: AB Infotech LTD