চাপে নয়, দ্বিপাক্ষিক স্বার্থেই বোয়িং চুক্তি: মাহদী আমিন

কোনো চাপের কারণে নয়, বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের দ্বিপাক্ষিক স্বার্থ বিবেচনায় বোয়িংয়ের কাছ থেকে বিমান কেনার চুক্তি করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ও প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখপাত্র ড. মাহদী আমিন।
বিজ্ঞাপন
রবিবার (২৭ সেপ্টেম্বর) সকালে প্রধানমন্ত্রীর জাতিসংঘের ৮১তম সাধারণ অধিবেশনে অংশগ্রহণ শেষে দেশে ফেরার পর হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।
মাহদী আমিন বলেন, চুক্তিটি কোনো পক্ষের ওপর চাপিয়ে দেওয়া হয়নি। দুই দেশের প্রতিনিধিদের সমন্বয়ে এবং বাংলাদেশের স্বার্থকে প্রাধান্য দিয়েই বোয়িংয়ের সঙ্গে চুক্তি স্বাক্ষর করা হয়েছে। এর আগে নিউইয়র্কে বেসামরিক বিমান পরিবহন সংস্থা বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের সঙ্গে বোয়িংয়ের ১১টি নতুন উড়োজাহাজ কেনার চুক্তি স্বাক্ষরের তথ্য জানানো হয়েছিল।
আরও পড়ুন
বিজ্ঞাপন
তিনি জানান, বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে কৌশলগত বেসামরিক পারমাণবিক সহযোগিতা নিয়েও একটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর হয়েছে। ২৫ সেপ্টেম্বর নিউইয়র্কে দুই দেশের প্রতিনিধিরা এ সমঝোতায় সই করেন।
প্রধানমন্ত্রীর সফর প্রসঙ্গে মাহদী আমিন বলেন, জাতিসংঘের অধিবেশনে অংশগ্রহণের পাশাপাশি ১১টি দেশের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠক হয়েছে। এসব আলোচনায় বাংলাদেশের স্বার্থ, জনকল্যাণ, বাণিজ্য ও বিনিয়োগ, জ্বালানি নিরাপত্তা, রোহিঙ্গা সংকট, স্বাস্থ্য, জলবায়ু এবং আন্তর্জাতিক শান্তির বিষয়গুলো গুরুত্ব পেয়েছে।
বিজ্ঞাপন
তিনি বলেন, মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশের সঙ্গে জ্বালানি নিরাপত্তা নিয়ে আলোচনা হয়েছে। পাশাপাশি রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে মানবাধিকার ও বাস্তুচ্যুত মানুষের জন্য কাজ করা বিভিন্ন দেশ ও সংগঠনের সঙ্গেও আলোচনা করা হয়েছে।
আরও পড়ুন
বিজ্ঞাপন
জাতিসংঘে প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্য প্রসঙ্গে মাহদী আমিন বলেন, বিশ্বশান্তি, ফিলিস্তিনে শান্তি, শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও কৃষিসহ বিভিন্ন বিষয়ে বাংলাদেশের অবস্থান তুলে ধরা হয়েছে।
সালমান মুক্তাদিরের স্টুডিওতে হামলার প্রসঙ্গে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, সরকারের নাম ভাঙিয়ে কেউ কোনো অপকর্ম করলে তার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এ বিষয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় তৎপর রয়েছে এবং কাউকেই ছাড় দেওয়া হবে না বলেও জানান তিনি।
এ সময় প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব সালেহ শিবলী এবং অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন উপস্থিত ছিলেন।








