উপজেলা-থানা আনসারদের ২৮ দিনের অ্যাডভান্স প্রশিক্ষণ শুরু

শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের পিপলস ওয়ারফেয়ার ডকট্রিনের আলোকে উপজেলা ও থানা আনসার সদস্যদের সক্ষমতা বাড়াতে ২৮ দিনব্যাপী অ্যাডভান্স প্রশিক্ষণ শুরু হয়েছে।
বিজ্ঞাপন
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের নির্বাচনী ইশতেহার বাস্তবায়নের উদ্যোগের অংশ হিসেবে সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের গৃহীত ‘ট্রেনিং অব ফোর্সেস আন্ডার পিপলস ওয়ারফেয়ার ডকট্রিন’ শীর্ষক পরীক্ষামূলক প্রকল্পের আওতায় এ প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে। গত শনিবার (৪ অক্টোবর) থেকে আনসার ব্যাটালিয়নের দুটি প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে ‘উপজেলা/থানা আনসার অ্যাডভান্স প্রশিক্ষণ-২০২৬’ শুরু হয়।
পরীক্ষামূলক প্রকল্পের প্রথম পর্বে গাজীপুরের সফিপুর আনসার ব্যাটালিয়ন এবং পটুয়াখালী আনসার ব্যাটালিয়নে প্রশিক্ষণ কার্যক্রম চলছে। উপজেলা ও থানা আনসারের মৌলিক প্রশিক্ষণ সম্পন্ন করা মোট ২০০ সদস্য এ পর্বে অংশ নিয়েছেন।
শিগগিরই আরও আটটি আনসার ব্যাটালিয়নে এ প্রশিক্ষণ কার্যক্রম শুরু করার কথা রয়েছে।
বিজ্ঞাপন
আরও পড়ুন
বিজ্ঞাপন
বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর মহাপরিচালক মেজর জেনারেল আবদুল মোতালেব সাজ্জাদ মাহমুদের উদ্যোগে উপজেলা ও থানা আনসার কোম্পানির স্বেচ্ছাসেবী সদস্যদের সক্ষমতা বাড়াতে এ প্রশিক্ষণের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। দেশের প্রয়োজনে প্রশিক্ষিত, দক্ষ এবং সংকট মোকাবিলায় সক্ষম জনশক্তি গড়ে তোলাই এ উদ্যোগের অন্যতম লক্ষ্য।
ব্যাটালিয়ন অধিনায়কের তত্ত্বাবধানে এবং সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের সার্বিক দিকনির্দেশনায় বাংলাদেশ সেনাবাহিনী ও নৌবাহিনীর অভিজ্ঞ প্রশিক্ষকেরা প্রশিক্ষণ কার্যক্রমে যুক্ত রয়েছেন।
প্রশিক্ষণের আওতায় সদস্যদের ফায়ারিংয়ের মৌলিক বিষয়, নিশানা গ্রহণের সাধারণ নীতি এবং ফায়ারিং নিরাপত্তা সম্পর্কে বাস্তবমুখী শিক্ষা দেওয়া হচ্ছে। পাশাপাশি পদাতিক বাহিনীর সাধারণ পরিচিতি, পদাতিক কোম্পানির সাংগঠনিক কাঠামো এবং রণক্ষেত্রে আত্মরক্ষার কৌশল হিসেবে ছদ্মবেশ, গোপনীয়তা ও আড় ব্যবহারের নিয়ম সম্পর্কেও তাত্ত্বিক ও ব্যবহারিক প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে।
বিজ্ঞাপন
পিপলস ওয়ারফেয়ার ডকট্রিনের আলোকে উপজেলা ও থানা আনসার সদস্যদের প্রয়োজনীয় সামরিক জ্ঞান, দক্ষতা ও সক্ষমতা বাড়িয়ে দেশের বিভিন্ন সংকটময় পরিস্থিতিতে দায়িত্ব পালনের জন্য প্রস্তুত করাই এ প্রশিক্ষণ কার্যক্রমের মূল উদ্দেশ্য।








