মানবিক ও উদার রাষ্ট্র গড়ার চেষ্টা করছেন প্রধানমন্ত্রী: প্রেস সচিব

উদারনৈতিক দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে মানবিক রাষ্ট্র ও সমাজ গড়ে তোলার চেষ্টা করছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। ধর্ম কিংবা মতাদর্শের কারণে কোনো নাগরিক যাতে বৈষম্যের শিকার না হন, এমন বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার লক্ষ্য নিয়ে সরকার কাজ করছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব এ এ এম ছালেহ শিবলী।
বিজ্ঞাপন
শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) বিকেলে ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির (ডিআরইউ) নতুন সদস্য বরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। ডিআরইউর শফিকুল কবির মিলনায়তনে আয়োজিত অনুষ্ঠানে সংগঠনটির সভাপতি আবু সালেহ আকন, সাধারণ সম্পাদক মাইনুল হাসান সোহেল, সাংগঠনিক সম্পাদক এম এম জসিমসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
সাংবাদিকদের ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানিয়ে ছালেহ শিবলী বলেন, সামনের দিনগুলোতেও সাংবাদিকদের মধ্যে ঐক্য বজায় রাখা জরুরি। সাংবাদিকেরা বিভক্ত হয়ে পড়লে শেষ পর্যন্ত ক্ষতিগ্রস্ত হবেন তাঁরাই। এর ফলে প্রতিষ্ঠান ও সংগঠন থেকে প্রাপ্য সুযোগ-সুবিধা পাওয়ার ক্ষেত্রে সমস্যা তৈরি হতে পারে। পাশাপাশি নাগরিক ও সাংবাদিক হিসেবে তাঁদের অধিকার থেকেও বঞ্চিত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
দেশের বর্তমান রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক পরিস্থিতি প্রসঙ্গে প্রেস সচিব বলেন, বর্তমান সরকার ক্ষমতায় আসার পর মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ শুরু হয়েছে। সেই সংঘাত এখনো বন্ধ হয়নি, বরং এর পরিধি আরও বিস্তৃত হয়েছে।
বিজ্ঞাপন
আরও পড়ুন
বিজ্ঞাপন
বিগত সরকারের সময় বিরোধী মত দমনের প্রচেষ্টার কারণে দেশে ঘৃণা ও প্রতিহিংসার সংস্কৃতি গড়ে উঠেছিল বলে মন্তব্য করেন তিনি। তাঁর ভাষ্য, গত ১৫ বছরে দেশে গুম ও খুনের ঘটনা ঘটেছে। এ ছাড়া গত নয় মাসে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সবচেয়ে বেশি গুজব, গুঞ্জন ও অপতথ্যের শিকার হয়েছেন।
সাংবাদিকদের রাজনৈতিক মতাদর্শের বিষয়ে ছালেহ শিবলী বলেন, কোনো সাংবাদিক রাজনৈতিক দলকে সমর্থন করলে তিনি সেটিকে অন্যায়, অপরাধ কিংবা অস্বাভাবিক বিষয় বলে মনে করেন না। সাংবাদিকেরা নিয়মিত পড়াশোনা করেন, দেশ-বিদেশের খবর রাখেন এবং চারপাশের ঘটনাপ্রবাহ পর্যবেক্ষণ করেন। ফলে বিভিন্ন বিষয়, আদর্শ ও রাজনৈতিক দল সম্পর্কে তাঁদের নিজস্ব মতামত তৈরি হওয়াটা স্বাভাবিক।
তবে ব্যক্তিগত বিশ্বাস কিংবা রাজনৈতিক আদর্শ যেন পেশাগত দায়িত্ব পালনে বাধা হয়ে না দাঁড়ায়, সে বিষয়ে সতর্ক থাকার পরামর্শ দেন তিনি।
বিজ্ঞাপন
প্রেস সচিব বলেন, কোনো বিষয়ে নিজের জানা, শোনা, বোঝা কিংবা ব্যক্তিগত পক্ষপাত যদি সত্য তুলে ধরার পথে বাধা সৃষ্টি করে, তাহলে বুঝতে হবে ব্যক্তিগত বিশ্বাস সাংবাদিকতার দায়িত্ব পালনে প্রভাব ফেলছে। একজন সাংবাদিকের রাজনৈতিক বিশ্বাস যেন তাঁর নিরপেক্ষভাবে সংবাদ পরিবেশনের পথে প্রতিবন্ধক না হয়, তা নিশ্চিত করা জরুরি।








