Logo

কর্মসংস্থানমুখী দক্ষ জনশক্তি গড়া বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর প্রধান লক্ষ্য হওয়া উচিত

profile picture
নিজস্ব প্রতিবেদক
১৭ অক্টোবর, ২০২৬, ১৬:৪৬
কর্মসংস্থানমুখী দক্ষ জনশক্তি গড়া বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর প্রধান লক্ষ্য হওয়া উচিত
ছবি: সংগৃহীত

দেশের সরকারি ও বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর প্রধান লক্ষ্য হওয়া উচিত কর্মসংস্থান উপযোগী দক্ষ জনশক্তি গড়ে তোলা। উচ্চশিক্ষা ব্যবস্থাকে এমনভাবে সাজাতে হবে, যাতে দেশের পাশাপাশি আন্তর্জাতিক শ্রমবাজারের চাহিদা পূরণে সক্ষম কর্মী তৈরি হয় এবং শিক্ষিত তরুণদের বেকারত্ব কমে আসে। বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর প্রতি এমন আহ্বান জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

বিজ্ঞাপন

শনিবার (১৭ অক্টোবর) বঙ্গভবনে সাউথইস্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি প্রতিনিধি দলের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎকালে তিনি এসব কথা বলেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের বোর্ড অব ট্রাস্টিজের চেয়ারম্যান রেজাউল করিমের নেতৃত্বে প্রতিনিধি দলটি রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সাক্ষাৎ করে। এ সময় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. ইউসুফ মাহবুবুল ইসলাম উপস্থিত ছিলেন।

রাষ্ট্রপতির প্রেস সচিব মো. সরওয়ার আলম সাক্ষাতের বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

রাষ্ট্রপতি বলেন, দেশের বিভিন্ন শিল্পপ্রতিষ্ঠান, কলকারখানা, করপোরেট সংস্থা ও বিশেষায়িত প্রতিষ্ঠানে কাজের জন্য বিদেশ থেকে কর্মী আনতে হচ্ছে। অথচ দেশে বিপুলসংখ্যক উচ্চশিক্ষিত তরুণ বেকার রয়েছেন। এ পরিস্থিতি মোকাবিলায় উচ্চশিক্ষার সঙ্গে কর্মক্ষেত্রের চাহিদার সমন্বয় ঘটানো জরুরি।

তিনি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে কারিগরি, প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিষয়ে আধুনিক এবং উচ্চমানসম্পন্ন শিক্ষা প্রদানের ওপর গুরুত্ব দেওয়ার আহ্বান জানান। পাশাপাশি শিল্প ও করপোরেট প্রতিষ্ঠানগুলোকে যথাযথ প্রশিক্ষণের মাধ্যমে দক্ষ ও কর্মক্ষম কর্মী গড়ে তোলার পরামর্শ দেন।

বিজ্ঞাপন

সাক্ষাৎকালে রাষ্ট্রপতি আর্থিকভাবে অসচ্ছল ও মেধাবী শিক্ষার্থীদের উচ্চশিক্ষার সুযোগ বাড়ানোর বিষয়েও গুরুত্বারোপ করেন। এ জন্য বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে দরিদ্র ও মেধাবী শিক্ষার্থীদের শিক্ষাব্যয় মওকুফ করার আহ্বান জানান তিনি।

এ সময় সাউথইস্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের বোর্ড অব ট্রাস্টিজের চেয়ারম্যান রেজাউল করিম রাষ্ট্রপতিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের সামগ্রিক একাডেমিক কার্যক্রম সম্পর্কে অবহিত করেন। তিনি জানান, প্রতিষ্ঠানটিকে অনেকটা দাতব্য ও অলাভজনক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান হিসেবে পরিচালনার চেষ্টা করা হচ্ছে।

রেজাউল করিমের তথ্য অনুযায়ী, বিশ্ববিদ্যালয়টি প্রতিবছর গড়ে প্রায় ৩২ কোটি টাকা মেধাবী, অসচ্ছল ও বিশেষ কোটার শিক্ষার্থীদের টিউশন ফি মওকুফ এবং বৃত্তি হিসেবে প্রদান করে।

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

এ ছাড়া আসন্ন সমাবর্তন অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকার জন্য রাষ্ট্রপতিকে আনুষ্ঠানিক আমন্ত্রণ জানান বোর্ড অব ট্রাস্টিজের চেয়ারম্যান। রাষ্ট্রপতি আমন্ত্রণ গ্রহণ করে অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকার আশ্বাস দেন।

বিজ্ঞাপন

সাক্ষাৎকালে রাষ্ট্রপতির সামরিক সচিব ও প্রেস সচিবের পাশাপাশি সাউথইস্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের বোর্ড অব ট্রাস্টিজের সদস্য সচিব, সদস্য, উপ-উপাচার্য, রেজিস্ট্রার এবং উপদেষ্টারা উপস্থিত ছিলেন।

তথ্য সূত্র : বাসস

জেবি/এএস

জনবাণী এর সকল স্বত্ব সংরক্ষিত। কপিরাইট © ২০২৬

Developed by: AB Infotech LTD