Logo

শিশুদের হাতেই দেশের ভবিষ্যৎ, সুনাগরিক গড়ার আহ্বান ডিএসসিসি প্রশাসকের

profile picture
নিজস্ব প্রতিবেদক
৩০ অক্টোবর, ২০২৬, ২২:১৪
শিশুদের হাতেই দেশের ভবিষ্যৎ, সুনাগরিক গড়ার আহ্বান ডিএসসিসি প্রশাসকের
ছবি: সংগৃহীত

শিশুরাই আগামী দিনের বাংলাদেশের নেতৃত্ব দেবে। তাদের সুনাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে পড়াশোনার পাশাপাশি খেলাধুলা, গান, নাচ ও নৈতিক শিক্ষার চর্চা প্রয়োজন বলে মন্তব্য করেছেন ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) প্রশাসক আব্দুস সালাম।

বিজ্ঞাপন

তিনি বলেন, নতুন প্রজন্মের মধ্য থেকেই একদিন দেশের মন্ত্রী, সংসদ সদস্য, মেয়র, প্রশাসক ও যোগ্য সাংবাদিক তৈরি হবে। তাই শৈশব থেকেই শিশুদের মধ্যে শিক্ষা, নৈতিকতা ও দেশপ্রেমের ভিত্তি গড়ে তোলা জরুরি।

শুক্রবার (৩০ অক্টোবর) ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি (ডিআরইউ) আয়োজিত শিশু-কিশোর সাংস্কৃতিক উৎসব-২০২৬-এ প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।

আব্দুস সালাম বলেন, ঢাকার সাবেক মেয়র সাদেক হোসেন খোকার সময়ে ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিকে বর্তমান জায়গাটি দেওয়া হয়েছিল। ভবন নির্মাণে কোনো আইনি বাধা থাকলে তা দূর করতে সহযোগিতা করা হবে।

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

শিশুদের উদ্দেশে ডিএসসিসি প্রশাসক বলেন, ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের মধ্য দিয়ে অর্জিত লাল-সবুজের পতাকার ভবিষ্যৎ এখন নতুন প্রজন্মের হাতে। আগামী দিনে তারাই দেশের নেতৃত্ব দেবে। এ কারণে পড়াশোনার পাশাপাশি খেলাধুলা, গান, নাচ ও অন্যান্য সৃজনশীল কর্মকাণ্ডে যুক্ত থাকতে হবে।

তিনি শিশুদের নৈতিক শিক্ষা গ্রহণ, দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ হওয়া এবং মিথ্যা বলা ও অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড থেকে দূরে থাকার পরামর্শ দেন।

শিশুদের স্বাস্থ্য ও পরিচ্ছন্নতার বিষয়ে গুরুত্ব দিয়ে আব্দুস সালাম বলেন, সুস্থ থাকতে নিয়মিত হাত ও নখ পরিষ্কার রাখা, ঘরবাড়ি পরিচ্ছন্ন রাখা এবং শারীরিক ব্যায়াম করা প্রয়োজন। ডেঙ্গু প্রতিরোধে বাড়ির ছাদ, ফুলের টব কিংবা আশপাশের কোথাও পানি জমতে দেওয়া যাবে না।

বিজ্ঞাপন

পরিবেশ সুরক্ষায় গাছ লাগানো এবং দুধ, ডিম ও শাকসবজির মতো পুষ্টিকর খাবার খাওয়ার অভ্যাস গড়ে তোলারও পরামর্শ দেন তিনি।

সাংবাদিক পরিবারের সন্তানদের উদ্দেশে আব্দুস সালাম বলেন, তাঁদের বাবা-মায়েরা সমাজের সত্য ও বাস্তব চিত্র তুলে ধরতে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করেন। তাই বাবা-মায়ের পেশাকে সম্মান জানিয়ে তাঁদের নিয়ে গর্ববোধ করতে হবে।

অনুষ্ঠানে ডিআরইউর সাধারণ সম্পাদক মাইনুল হাসান সোহেল বলেন, সংগঠনের সদস্যদের সন্তানদের মানসিক বিকাশ ও সৃজনশীল প্রতিভা বিকাশের লক্ষ্যেই প্রতিবছর এ সাংস্কৃতিক উৎসব আয়োজন করা হয়।

বিজ্ঞাপন

আগামীতে শিশু-কিশোরদের এ আয়োজন তিন দিনব্যাপী করার প্রস্তাব দেন তিনি। একই সঙ্গে ডিআরইউর অবকাঠামোগত উন্নয়ন, বিশেষ করে জমিসংক্রান্ত সমস্যার সমাধানে প্রধান অতিথির সহযোগিতা কামনা করেন।

দিনব্যাপী উৎসবে ডিআরইউ সদস্যদের সন্তানদের অংশগ্রহণে চিত্রাঙ্কন, আবৃত্তি ও সংগীত প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়। শিশু-কিশোরদের প্রাণবন্ত অংশগ্রহণে উৎসবমুখর হয়ে ওঠে ডিআরইউ প্রাঙ্গণ। প্রতিযোগিতা শেষে বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন প্রধান অতিথি মো. আব্দুস সালাম।

জেবি/জেএইচআর

জনবাণী এর সকল স্বত্ব সংরক্ষিত। কপিরাইট © ২০২৬

Developed by: AB Infotech LTD