তরুণ প্রার্থীদের নিয়ে নির্বাচনে চমক দেখাতে চায় জামায়াত

বিএনপির পাশাপাশি জাতীয় নির্বাচনে শক্ত প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে নিজেদের প্রতিষ্ঠিত করতে মাঠে নেমেছে জামায়াতে ইসলামী। আন্দোলনের পাশাপাশি নীরবে ভোটের প্রস্তুতিও নিচ্ছে দলটি।
বিজ্ঞাপন
বিএনপির পাশাপাশি জাতীয় নির্বাচনে শক্ত প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে নিজেদের প্রতিষ্ঠিত করতে মাঠে নেমেছে জামায়াতে ইসলামী। আন্দোলনের পাশাপাশি নীরবে ভোটের প্রস্তুতিও নিচ্ছে দলটি। এরই অংশ হিসেবে ইতোমধ্যেই প্রায় ৩০০ আসনে প্রার্থী চূড়ান্ত করেছে তারা।
দলীয় সূত্র জানায়, পরিবর্তিত রাজনৈতিক বাস্তবতায় এবার তরুণ প্রার্থীদের গুরুত্ব দিচ্ছে জামায়াত। অন্তত তিন ডজনের বেশি নবীন প্রার্থী আসন্ন নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন। অনেকেরই স্বচ্ছ ভাবমূর্তি ভোটারদের কাছে ইতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে বলে মনে করছে দল।
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে কেন্দ্র থেকে তৃণমূল পর্যন্ত ব্যস্ত সময় পার করছেন জামায়াত নেতারা। সম্ভাব্য প্রার্থীরা নিজ নিজ এলাকায় গণসংযোগ, সভা-সমাবেশসহ নানা কর্মসূচি চালাচ্ছেন। তাদের মধ্যে রয়েছেন ছাত্রশিবির থেকে উঠে আসা একাধিক সাবেক সভাপতি ও নেতৃবৃন্দ, আবার কেউ কেউ পারিবারিক রাজনৈতিক ঐতিহ্যের কারণে আলোচিত।
পিরোজপুর, পাবনা, ঢাকা, কুমিল্লা, সিলেট, রাজশাহী, ফেনী, বাগেরহাট, দিনাজপুর, লালমনিরহাটসহ দেশের নানা আসনে জামায়াতের তরুণ প্রার্থীদের সক্রিয় উপস্থিতি দেখা যাচ্ছে। আলোচিতদের মধ্যে রয়েছেন মাওলানা দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীর দুই পুত্র মাসুদ সাঈদী ও শামীম সাঈদী, ব্যারিস্টার আহমেদ বিন কাসেম আরমান, ব্যারিস্টার নাজিবুর রহমান মোমেন, ড. শফিকুল ইসলাম মাসুদ, ড. ফখরুদ্দিন মানিক, ড. রেজাউল করিমসহ অনেকে।
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
দলটির নেতারা বলছেন, নির্বাচনে জয়ী হয়ে তারা একটি গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ গঠনের লক্ষ্য নিয়ে এগোতে চান। একইসঙ্গে অতীতে জামায়াতের নেতাকর্মীদের ওপর হওয়া দমন-নিপীড়নের বিষয়গুলো জনগণের সামনে তুলে ধরছেন তারা।
দলীয় সূত্রে আরও জানা যায়, নির্বাচনি তফসিল ঘোষণার পর কিছু আসনে প্রার্থীর পরিবর্তন হতে পারে। তবে আপাতত তরুণদের হাত ধরেই চমক দেখানোর পরিকল্পনা করছে জামায়াত।
বিজ্ঞাপন
এএস








