মোছাব্বির হত্যাকাণ্ড ব্যবসাকেন্দ্রীক হতে পারে: ডিবি

জাতীয় স্বেচ্ছাসেবক দল ঢাকা মহানগর উত্তরের সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. আজিজুর মোছাব্বিরের হত্যাকাণ্ড প্রাথমিকভাবে ব্যবসা কেন্দ্রিক হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে বলে জানিয়েছেন ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) অতিরিক্ত কমিশনার (ডিবি) মো. শফিকুল ইসলাম।
বিজ্ঞাপন
রবিবার (১২ জানুয়ারি) বিকেলে ডিএমপির মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান তিনি।
শফিকুল ইসলাম জানান, হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত করে ঢাকা, গাজীপুর, ময়মনসিংহ, নেত্রকোণা, ভৈরব ও কিশোরগঞ্জে অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে। অভিযানে দুই শুটারের একজন জিন্নাত (২৪) এবং ঘটনার মূল সমন্বয়কারী মো. বিল্লাল হোসেনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বিল্লালের বাবা শহীদুল্লাহর ভাই আব্দুল কাদির (২৮) ও রেকি করার কাজে সহযোগিতা করা মো. রিয়াজ (৩২)-কেও আটক করা হয়েছে। এদের কাছ থেকে হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত একটি নম্বরবিহীন মোটরসাইকেল ও ৬ হাজার টাকা জব্দ করা হয়েছে।
বিজ্ঞাপন
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আসামিরা হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছে। তবে হত্যার উদ্দেশ্য উদঘাটন এবং অস্ত্র উদ্ধারসহ অন্যান্য বিষয় এখনও তদন্তাধীন।
তিনি আরও জানান, আসামিদের রাজনৈতিক কোনো পরিচয় নেই, যদিও হত্যাকাণ্ডের শিকার মোছাব্বির একজন রাজনৈতিক নেতা ছিলেন। প্রাথমিকভাবে মনে করা হচ্ছে, হত্যাটি ব্যবসা কেন্দ্রিক। কয়েকজন আসামির ব্যবসা রয়েছে কারওয়ান বাজারে, কিন্তু তাদের রাজনৈতিক নেতাদের সঙ্গে সামাজিক সম্পর্ক ছিল।
বিজ্ঞাপন
ডিবি অতিরিক্ত কমিশনার বলেন, হত্যাকাণ্ডে আরও একজন পলাতক শুটার রহিম এখনও ধরার চেষ্টা চলছে। এছাড়া শোনা যাচ্ছে, বিদেশ থেকে এই হত্যার জন্য ১৫ লাখ টাকা পাঠানোর পরিকল্পনা ছিল। মোছাব্বির সম্প্রতি চাঁদাবাজি বিরোধী মানববন্ধনও করেছিলেন, যেখানে মারামারি হয়েছিল। এসব বিষয়ও তদন্তের অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
মোছাব্বিরের হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত অস্ত্র ও হত্যার আসল উদ্দেশ্য খতিয়ে দেখার জন্য ডিবি টিম তদন্ত অব্যাহত রেখেছে।








