Logo

সরকারের আগ্রাসনটা সর্বগ্রাসী: ফখরুল

profile picture
জনবাণী ডেস্ক
২২ সেপ্টেম্বর, ২০২২, ২৩:৪৬
সরকারের আগ্রাসনটা সর্বগ্রাসী: ফখরুল
ছবি: সংগৃহীত

আজকে এ সরকারের আগ্রাসনটা সর্বগ্রাসী। একদিকে আমার ইতিহাস বিকৃতি করছে, আরেকদিকে আমার অর্থনীতিকে পুরোপুরিভাবে ধ্বংস করে দিয়ে পরনির্ভরশীল করে ফেলছে। অন্যদ...

বিজ্ঞাপন

আজকে এ সরকারের আগ্রাসনটা সর্বগ্রাসী। একদিকে আমার ইতিহাস বিকৃতি করছে, আরেকদিকে আমার অর্থনীতিকে পুরোপুরিভাবে ধ্বংস করে দিয়ে পরনির্ভরশীল করে ফেলছে। অন্যদিকে রাজনীতিকে পুরোপুরিভাবে একটা একদলীয় শাসনব্যবস্থার মধ্যে নিয়ে গিয়ে মূল গণতান্ত্রিক চিন্তা-চেতনা থেকে সরিয়ে পুরো একনায়কতন্ত্র ফ্যাসিবাদী রাষ্ট্রের দিকে চলে যাচ্ছে। এ সরকার এগুলো পরিকল্পিতভাবে করছে। নট দ্যাট যে, শুধু ক্ষমতায় টিকে থাকার ব্যাপারটা না। একই সঙ্গে দার্শনিকভাবে এটাকে প্রতিষ্ঠিত করার কাজও করছে।

বুধবার (২৭ এপ্রিল) দুপুরে জাতীয় প্রেসক্লাবের জহুর হোসেন চৌধুরী হলে এক আলোচনা সভায় দেশের বর্তমান অবস্থা তুলে ধরে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এসব কথা বলেন।  

বিজ্ঞাপন

শেরে বাংলা জাতীয় যুব স্মৃতি ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে একেএম ফজলুল হকের ৬০তম মৃ্ত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে ‘আজকের প্রেক্ষাপটে শেরে বাংলার প্রাসঙ্গিতকতা’ শীর্ষক এ আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়।

মির্জা ফখরুল ব বলেন, সরকার ক্ষমতায় টিকে থাকার জন্য আজকে সমস্ত প্রতিষ্ঠানকে ধ্বংস করে দিয়েছে। আপনারা দেখছেন যে, পুলিশ কিছুদিন ধরে যে কাজটা করছে। এই যে ঢাকা কলেজ এবং নিউ মার্কের্টের ব্যবসায়ীদের মধ্যে যে সংঘর্ষ হলো, দুইজন প্রাণ দিলেন। এটাতে পুলিশ প্রথমে কি করলো? বিএনপির নেতাদের বিরুদ্ধে মামলা দিয়ে তাদের গ্রেফতার করে এক জনকে তিন দিনের রিমান্ডে পাঠালো। অথচ প্রত্যেকটি মিডিয়ায় তাদের সমস্ত ইনভেস্টিগেটিভ রিপোর্টে দেখা যাচ্ছে যে, এরজন্য মূলত দায়ী হচ্ছে ছাত্রলীগের সন্ত্রাসীরা, যারা অস্ত্র হাতে নিয়ে আক্রমণ করেছে এবং ওই দুই জনকে হত্যা করেছে।

আরেকবার দেখুন ওই পাশেই কলা বাগানে যে পার্ক রয়েছে, বাচ্চাদের ফুটবল খেলার মাঠ, সেই মাঠ দখল করে সেখানে থানা বানাচ্ছে। এরকম অসংখ্য ঘটনা ঘটছে। আজকে বাংলাদেশে মানুষের কোনো রকমের নিরাপত্তা তো দূরের কথা, কি করে তাদের আরও বেশি করে হয়রানি করা যায় সেই ঘটনাগুলো চলছে।

বিজ্ঞাপন

মির্জা ফখরুল আরও বলেন, আজকে আওয়ামী লীগ প্রকৃত পক্ষে জনগণের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছে, রাজনীতির বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছে এবং বাংলাদেশের স্বাধীনতার বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছে। সেজন্য আজকে শেরে বাংলা একেএম ফজলুল হক আমাদের কাছে আরও বেশি প্রাসঙ্গিক। আমরা যদি আমাদের মূল জায়গাটা বুঝি, আমাদের মূল অস্তিত্ব রক্ষার জন্য কাজ করতে পারি তাহলে আমরা অবশ্যই সেই জায়গায় সফল হতে পারবো।

শেরে বাংলা একেএম ফজলুল হকের বর্ণাঢ্য জীবনী তুলে ধরে তিনি বলেন, আজকে আমরা শেরে বাংলা ফজলুল হক সম্পর্কে একেবারেই ভুলতে বসেছি। আমাদের পাঠ্যপুস্তক বাদ দিন, অন্যান্য যে বই পত্র রচনা হয় সেখানেও তার প্রাসঙ্গিকতা সেভাবে আসে না। আমরা যখন দেখি, স্মৃতি সংসদগুলো আলোচনা করে সেখানে শেরে বাংলার উপরে গবেষণার কাজ করেছেন এ ধরনের মানুষ কিন্তু আমরা আসতে দেখি না, কথা বলতে শুনি না।

সংগঠনের সভাপতি আখতারুল আলম খানের সভাপতিত্বে ও সাবেক এমপি জহির উদ্দিন স্বপনের পরিচালনায় আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন- বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, যুগ্ম মহাসচিব মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল, সাংগঠনিক সম্পাদক সৈয়দ এমরান সালেহ প্রিন্স, মহানগর দক্ষিণের সদস্য ইশরাক হোসেন এবং শেরে বাংলার নাতনী ফাহসিনা হক লীরা। 

বিজ্ঞাপন

এসএ/

জনবাণী এর সকল স্বত্ব সংরক্ষিত। কপিরাইট © ২০২৬

Developed by: AB Infotech LTD