১২ ফেব্রুয়ারি হবে দুর্নীতিবাজদের লাল কার্ড দেখানোর নির্বাচন

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামের আমির ডা. শফিকুর রহমান জানিয়েছেন, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া জাতীয় নির্বাচন কোনো সাধারণ নির্বাচন নয়। এটি হবে ৫৪ বছরের দীর্ঘ দুর্নীতি, প্রতারণা ও অবহেলার বিরুদ্ধে জনগণের রায়ের মাধ্যমে লাল কার্ড দেখানোর নির্বাচন।
বিজ্ঞাপন
বুধবার (৪ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে লালমনিরহাটের হাতীবান্ধার ডালিয়া পয়েন্টে আয়োজিত বিশাল নির্বাচনী জনসভায় তিনি এ মন্তব্য করেন।
সভায় হাজারো মানুষ সকাল থেকেই ভিড় জমান। মাঘের কুয়াশা ও শীতের তীব্রতা উপেক্ষা করে বাস, ট্রাক ও নৌকায় চড়ে অংশগ্রহণকারীরা তিস্তা হেলিপ্যাড মাঠে সমবেত হন।
বিজ্ঞাপন
ডা. শফিকুর রহমান বলেন, জামায়াত ক্ষমতায় এলে দুর্নীতির বিরুদ্ধে আপসহীন অবস্থান নেবে। মুখ দিয়ে হাত ঢুকিয়ে পেট থেকে চুরির মাল বের করে আনা হবে।
উত্তরবঙ্গের অবহেলা নিয়ে কথা বলতে গিয়ে তিনি বলেন, উত্তরবঙ্গ কোনো ‘সৎ মায়ের সন্তান’ নয়। আমাদের ক্ষমতায় আসার পর এই অঞ্চলের উন্নয়নের যাত্রা শুরু হবে। বিশেষ করে তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নের মাধ্যমে কৃষি ও অর্থনীতির চিত্র বদলে যাবে।
বক্তব্যে ডা. শফিকুর রহমান আওয়ামী লীগ ও বিএনপির কর্মকাণ্ডকে কঠোর সমালোচনা করেন। বিএনপিকে দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক পরিক্রমার পর কিছুটা বিশ্রাম নেওয়ার পরামর্শ দিয়ে দেশের সেবায় জামায়াতকে সুযোগ দেওয়ার আহ্বান জানান। পাশাপাশি নারীদের মর্যাদা রক্ষা এবং তরুণ প্রজন্মকে ভবিষ্যতের নেতৃত্বে প্রস্তুত করার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন। তিনি জনগণকে ইনসাফভিত্তিক সমাজ বিনির্মাণের লক্ষ্যে আসন্ন গণভোট ও নির্বাচনে ‘হ্যাঁ’ ভোট প্রদানে উদ্বুদ্ধ করেন।
বিজ্ঞাপন
এ দিনের জনসভা শুরু হওয়ার আগে কুড়িগ্রাম সরকারি কলেজ মাঠে আরও একটি বিশাল নির্বাচনী সভায় ডা. শফিকুর রহমান বক্তব্য রাখেন। সেখানে তিনি দুর্নীতিমুক্ত ও বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গড়ার ওপর জোর দেন এবং দেশের সর্বত্র সামাজিক ন্যায় ও উন্নয়নের প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেন।
এই নির্বাচনী প্রচারণা জনগণের সঙ্গে সরাসরি সংযোগ ও তাদের প্রত্যাশা শোনার একটি শক্তিশালী প্ল্যাটফর্ম হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হচ্ছে।








