সংসদে গিয়ে ‘নো সার্ভিস, নো বিল’ আইনের প্রস্তাব তুলবো: জারা

আসন্ন ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে জয়ী হলে সংসদে গিয়ে ‘নো সার্ভিস, নো বিল’ নীতির পক্ষে আইন প্রস্তাব আনবেন ঢাকা-৯ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী ও এনসিপির সাবেক নেত্রী ডা. তাসনিম জারা।
বিজ্ঞাপন
এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, “আমার নির্বাচনী এলাকা শহরের প্রাণকেন্দ্রে হলেও মানুষ যখন রান্নার জন্য গ্যাস ব্যবহার করতে চায়, সেবা পাচ্ছে না। তারপরও মাসের বিল ঠিকমতো দিতে হয়। তাই সংসদে গিয়ে এই নীতির পক্ষে আইন প্রস্তাব তুলে সেবা নিশ্চিত করবো।”
তিনি আরও জানান, যদি পাইপলাইনের মাধ্যমে গ্যাস সরবরাহে ব্যর্থতা দেখা দেয়, তাহলে এলাকায় ভর্তুকি বা ন্যায্য দামে এলপিজি সিলিন্ডার পৌঁছানোর জন্যও প্রস্তাব আনা হবে।
বিজ্ঞাপন
ঢাকা-৯ আসনে প্রায় ছয়-সাত লাখ মানুষ বসবাস করে। তাসনিম জারা বলেন, “এই বিপুল জনসংখ্যার জন্য এখানে মাত্র একটি সরকারি হাসপাতাল আছে, যেখানে জনবল ও যন্ত্রপাতির অভাব আছে। রোগীরা ভোগান্তিতে পড়েন। তাই হাসপাতালকে আধুনিক করার পাশাপাশি পর্যাপ্ত জনবল নিয়োগের উদ্যোগ নেব। স্থানীয় ক্লিনিকগুলোকে মিনি হাসপাতালের মতো আধুনিকায়ন করার পরিকল্পনাও আছে।
এছাড়া ডেঙ্গুসহ মশাবাহিত রোগ প্রতিরোধে স্থায়ী মশা নিধন স্কোয়াড গঠন করা হবে। নারী স্বাস্থ্যসেবার অংশ হিসেবে গর্ভবতী মায়েদের জন্য নিয়মিত সাশ্রয়ী চিকিৎসা, ব্রেস্টফিডিং স্পেস এবং নারীবান্ধব টয়লেট নিশ্চিত করা হবে।”
বিজ্ঞাপন
স্কুলে ভর্তিতে কোনো এমপির কোটা বা সুপারিশ থাকবেনা জানিয়ে তিনি বলেন, “শুধুমাত্র মেধা ও স্বচ্ছতা হবে একমাত্র মানদণ্ড। স্কুলে আধুনিক বিজ্ঞান ল্যাব, কোডিং ক্লাব ও লাইব্রেরি গড়ে তোলা হবে। শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্য ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) শিক্ষার ওপরও গুরুত্ব দেওয়া হবে।”
ডা. তাসনিম জারা মনে করেন, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত সংসদ নির্বাচন কেবল প্রতিনিধি নির্বাচন নয়, বরং একটি নতুন বাংলাদেশ গঠনের সুযোগ। যেখানে নাগরিকরা সেবা পেতে প্রতিষ্ঠানগুলোতে ছুটবেন না, সেবা নিজেই তাদের দরজায় পৌঁছাবে।







