হারার পরেও সংসদে যেতে পারেন নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী!

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-৮ আসনে বিএনপির হেভিওয়েট প্রার্থী মির্জা আব্বাস-এর কাছে মাত্র ৫ হাজার ২০৯ ভোটের ব্যবধানে পরাজিত হলেও রাজনৈতিক অঙ্গনে এখন আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী।
বিজ্ঞাপন
রাজপথের আলোচিত এই তরুণ নেতা নির্বাচনী লড়াইয়ে বর্ষীয়ান রাজনীতিকের সঙ্গে সমানে সমান পাল্লা দিয়ে দেশজুড়ে আলোচনার জন্ম দেন। ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে মির্জা আব্বাস পান ৫৯ হাজার ৩৩৬ ভোট, আর জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী পান ৫৪ হাজার ১২৭ ভোট। অল্প ব্যবধানের এই ফল তাকে নতুন রাজনৈতিক সম্ভাবনার সামনে দাঁড় করিয়েছে।
‘জুলাই সনদ’ ও বর্তমান গণভোটের নিয়ম অনুযায়ী বাংলাদেশের জাতীয় সংসদে একটি উচ্চকক্ষ বা সিনেট গঠিত হতে যাচ্ছে। ১০০ সদস্যের এই উচ্চকক্ষে রাজনৈতিক দলগুলোর প্রাপ্ত ভোটের শতকরা হারের ভিত্তিতে সদস্য মনোনীত করার বিধান রাখা হয়েছে।
বিজ্ঞাপন
নির্বাচন কমিশনের তথ্য বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, এনসিপি এবারের নির্বাচনে ৩০টি আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে সারা দেশে মোট ২২ লাখ ৬৯ হাজার ৬৩১ ভোট সংগ্রহ করেছে। এটি মোট সংগৃহীত ভোটের প্রায় ৩ দশমিক ২১ শতাংশ। এই গাণিতিক হিসাব অনুযায়ী উচ্চকক্ষে এনসিপির অন্তত ৩টি আসন পাওয়ার জোরালো সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।
এনসিপির দলীয় একাধিক সূত্র নিশ্চিত করেছে, উচ্চকক্ষের জন্য সম্ভাব্য তিন সদস্যের তালিকায় সবার ওপরে নাম রয়েছে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর। যেহেতু তিনি দলের প্রধান মুখ এবং ঢাকা-৮ আসনে বড় জনসমর্থন পেয়েছেন, তাই তাকে নীতিনির্ধারণী উচ্চকক্ষে পাঠানোর বিষয়ে দলে এক ধরণের ঐকমত্য তৈরি হয়েছে।
বিজ্ঞাপন
এ বিষয়ে এনসিপির যুগ্ম মুখ্য সংগঠক সাদিয়া ফারজানা গণমাধ্যমকে বলেন, উচ্চকক্ষে মনোনয়নের বিষয়ে জোট ও দলের ভেতরে বিস্তারিত আলোচনা চলছে। চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হলে আনুষ্ঠানিকভাবে নাম ঘোষণা করা হবে। পাশাপাশি তিনি বর্তমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে তরুণ নেতৃত্বের প্রয়োজনীয়তার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।








