সবচেয়ে বড় জয় দীপেন দেওয়ানের, দেড় লাখ ভোটের ব্যবধানে জয়ী আরও ৩ জন

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে যেমন ৩৮৫ ভোটের ব্যবধানে জয়ের নজির রয়েছে, তেমনি দেড় লাখের বেশি ভোটের ব্যবধানে জয়ের ঘটনাও ঘটেছে একাধিক আসনে। সবচেয়ে বেশি ভোটের ব্যবধানে জয়ী হয়েছেন পার্বত্য রাঙামাটি আসনে বিএনপির প্রার্থী দীপেন দেওয়ান।
বিজ্ঞাপন
নির্বাচন-পরবর্তী ফলাফল বিশ্লেষণে দেখা যায়, দেড় লাখের বেশি ভোটের ব্যবধানে জয়ী হয়েছেন মোট চারজন প্রার্থী। তাঁদের মধ্যে তিনজন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর এবং একজন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী-এর।
দেড় লাখ ভোটের ব্যবধানে জয়ীরা হলেন, রাজবাড়ী-২ আসনে বিএনপির প্রার্থী মো. হারুন-অর-রশিদ, জামালপুর-৩ আসনে বিএনপির প্রার্থী মো. মোস্তাফিজুর রহমান বাবুল ও সাতক্ষীরা-২ আসনে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মুহাম্মদ আবদুল খালেক।
বিজ্ঞাপন
এ ছাড়া এক লাখের বেশি ভোটের ব্যবধানে জয়ী হয়েছেন আরও ২৬ জন প্রার্থী। তাঁদের মধ্যে ২৪ জন বিএনপির, একজন জামায়াতের এবং একজন জামায়াতের নির্বাচনী জোটে থাকা জাতীয় নাগরিক পার্টি-এনসিপির।
রাঙামাটি আসনে দীপেন দেওয়ান তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী স্বতন্ত্র প্রার্থী পহেল চাকমাকে হারান ১ লাখ ৭০ হাজার ৩২২ ভোটের ব্যবধানে। ধানের শীষ প্রতীকে তিনি পেয়েছেন ২ লাখ ১ হাজার ৫৪৪ ভোট, আর ফুটবল প্রতীকে পহেল চাকমা পান ৩১ হাজার ২২২ ভোট। এ আসনে ভোটার সংখ্যা ৫ লাখের বেশি।
রাজবাড়ী-২ আসনে বিএনপি প্রার্থী মো. হারুন-অর-রশিদ ১ লাখ ৬৯ হাজার ৯৫৫ ভোটের ব্যবধানে জিতেছেন। তিনি পেয়েছেন ২ লাখ ৩৭ হাজার ২৫৪ ভোট। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াত–সমর্থিত নির্বাচনী ঐক্যের জাতীয় নাগরিক পার্টি-এনসিপির প্রার্থী জামিল হিজাযী পেয়েছেন ৬৭ হাজার ২৯৯ ভোট। এ আসনে ভোটার সংখ্যা সাড়ে ৫ লাখের বেশি।
বিজ্ঞাপন
জামালপুর-৩ আসনে বিএনপি প্রার্থী মো. মোস্তাফিজুর রহমান বাবুল ১ লাখ ৬২ হাজার ৫৩ ভোটের ব্যবধানে জিতেছেন। তিনি পেয়েছেন ২ লাখ ৬ হাজার ২১৪ ভোট। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের মো. মুজিবুর রহমান আজাদী পেয়েছেন ৪৪ হাজার ১৬১ ভোট। এ আসনে ভোটার সংখ্যা ৫ লাখ ৩৯ হাজারের বেশি।
সাতক্ষীরা-২ আসনে জামায়াত প্রার্থী মুহাম্মদ আবদুল খালেক ১ লাখ ৫০ হাজার ৭৩০ ভোটের ব্যবধানে জিতেছেন। তিনি পেয়েছেন ২ লাখ ৬৬ হাজার ৯৫৯ ভোট। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির প্রার্থী মো. আবদুর রউফ পেয়েছেন ১ লাখ ১৬ হাজার ২২৯ ভোট। এ আসনে ৫ লাখ ৩৫ হাজারের বেশি ভোটার রয়েছেন।
বিজ্ঞাপন
এবারের নির্বাচনে ২৯৯টি আসনে (শেরপুর-৩ আসনে প্রার্থীর মৃত্যুর কারণে নির্বাচন স্থগিত) ২ হাজার ২৮ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। এ পর্যন্ত ২৯৭টি আসনের ফল ঘোষণা হয়েছে। এর মধ্যে বিএনপি ও তাদের মিত্ররা ২১২টি, জামায়াত ও তাদের মিত্ররা ৭৭টি, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ ১টি এবং স্বতন্ত্র প্রার্থীরা ৭টি আসনে জয়ী হয়েছেন। আইনি জটিলতার কারণে দুটি আসনের ফল এখনো ঘোষণা করা হয়নি।








