সাহস করে বলুন, আমি জামায়াত-শিবির, দাবি মানতে হবে: রাশেদ খাঁন

ছাত্র শিবিরের প্রতি নিজেদের রাজনৈতিক পরিচয় প্রকাশ্যে তুলে ধরার আহ্বান জানিয়েছেন বিএনপির নেতা রাশেদ খাঁন। তিনি মনে করেন, পরিচয় গোপন রেখে রাজনৈতিক কার্যক্রম পরিচালনা করলে তা দীর্ঘমেয়াদে সাধারণ শিক্ষার্থীদের জন্য বিভ্রান্তি ও ক্ষতির কারণ হতে পারে।
বিজ্ঞাপন
শনিবার (১১ এপ্রিল) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক আইডিতে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এ মন্তব্য করেন। পোস্টে তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্র শিবিরের উদ্যোগে গণভোট দাবিতে চলমান অনশন কর্মসূচির প্রসঙ্গ তুলে ধরেন।
রাশেদ খাঁন লিখেছেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্র শিবিরের ব্যবস্থাপনায় গণভোট নিয়ে অনশন শুরু হয়েছে। কিন্তু অবাক হচ্ছি শিবির এখনো তার সাধারণ শিক্ষার্থী ট্রাম্প কার্ডের রাজনীতি জিইয়ে রেখেছে। এই সাধারণ শিক্ষার্থী ট্রাম্প কার্ডের রাজনীতি চলমান থাকলে ভুক্তভোগী হবে প্রকৃত সাধারণ শিক্ষার্থী। প্রকৃত সাধারণ শিক্ষার্থী কোনো সমস্যায় পড়লে, তারও সাধারণ বা রাজনৈতিক পরিচয় নিয়ে সন্দেহ সৃষ্টি হবে।
বিজ্ঞাপন
তিনি আরও বলেন, জামায়াতে ইসলামী যেহেতু বিরোধীদলে, সুতরাং পরিচয় গোপন রাখার রাজনীতি থেকে শিবিরের বের হয়ে আসা উচিত। এখন তো ফ্যাসিবাদ ক্ষমতায় নেই যে, আপনি কৌশল অবলম্বন করবেন। বরং রাজনৈতিক পরিচয়ে রাজনৈতিক কর্মসূচি পালন করার সাংবিধানিক অধিকার আপনার আছে। সেই পরিচয় লুকিয়ে সাধারণ পরিচয় বহন করার মধ্যে আলাদা ফায়দা থাকলেও, সেটা দেশের জন্য, জনগণের জন্য দীর্ঘমেয়াদি ক্ষতির। সাহস করে বলুন, আমি জামায়াত, আমি শিবির, আমার দাবি মানতে হবে। আমার রাজনৈতিক মতপ্রকাশের স্বাধীনতা আছে, আমার দাবি এই এই কারণে যৌক্তিক ইত্যাদি।
পোস্টে তিনি আরও উল্লেখ করেন, কিন্তু আওয়ামী লীগের পতনের পরেও এই সৎ সাহস আপনাদের মধ্যে সৃষ্টি না হলে কোনো আন্দোলনই সফল করতে পারবেন না। আর আপনারা যদি মনে করেন, আপনাদের জোটসঙ্গী নাহিদ ইসলাম বলে গেছেন, এই দেশের মানুষ জামায়াতের নেতৃত্বকে গ্রহণ করবে না... আর এজন্য কৌশল অবলম্বন করবেন। তাহলে লিখে রাখুন, কায়দা করে বেঁচে থাকা যায় না, আর কৌশল করেও আন্দোলন সফল করা যায় না।








