আওয়ামী লীগের পুনর্বাসন নিয়ে প্রস্তাব রাশেদ খানের

আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের রাজনৈতিক পুনর্বাসনের পক্ষে মত তুলে ধরে নতুন বিতর্কের জন্ম দিয়েছেন বিএনপি নেতা মুহাম্মদ রাশেদ খান। রবিবার (১৯ এপ্রিল) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে তিনি বিষয়টি সামনে আনেন, যা ঘিরে রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনা শুরু হয়েছে।
বিজ্ঞাপন
নিজের পোস্টে রাশেদ খান উল্লেখ করেন, যেহেতু অতীতে ছাত্রলীগ করা ব্যক্তিরা বর্তমানে এনসিপি (জাতীয় নাগরিক পার্টি) করতে পারছেন, তবে অতীতে আওয়ামী লীগ করা ব্যক্তিরা কেন ‘রিফাইন্ড আওয়ামী লীগ’ হিসেবে রাজনীতি করতে পারবেন না?
তিনি আরও বলেন, আওয়ামী লীগ একটি বিশাল দল, এদের সবাইকে আন্ডারগ্রাউন্ডে না পাঠিয়ে দিয়ে পুনর্বাসনের সুযোগ দেওয়া উচিত।
বিজ্ঞাপন
তিনি পরামর্শ দেন যে, আওয়ামী লীগের সদস্যদের কেউ এনসিপিতে, কেউ জামায়াতে, আবার কেউ ‘রিফাইন্ড আওয়ামী লীগ’ হিসেবে নতুন করে রাজনীতিতে সক্রিয় হওয়ার সুযোগ পেতে পারেন।
পোস্টে তিনি বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের অন্যতম নেতা ও বর্তমান সংসদ সদস্য হাসনাত আব্দুল্লাহর দৃষ্টি আকর্ষণ করে বলেন, আশা করি এটাতে মাননীয় এমপি হাসনাত আব্দুল্লাহর কোনো আপত্তি থাকবে না। তিনি সংসদে দাঁড়িয়ে এই প্রস্তাব উত্থাপন করে কণ্ঠভোটে পাস করিয়ে আনবেন।
বিজ্ঞাপন
উল্লেখ্য, রাশেদ খান ২০১৮ সালের কোটা সংস্কার আন্দোলনের মাধ্যমে রাজনৈতিক অঙ্গনে পরিচিতি পান এবং পরবর্তীতে গণঅধিকার পরিষদের সঙ্গে যুক্ত হয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। পরে ২০২৫ সালের ২৭ ডিসেম্বর দলটির সাধারণ সম্পাদক পদ থেকে সরে গিয়ে বিএনপিতে যোগ দেন। সর্বশেষ ২০২৬ সালের ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঝিনাইদহ-৪ আসন থেকে ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করলেও তিনি জয়লাভ করতে পারেননি।









