সীমান্তে কাঁটাতার-হত্যা করে বন্ধুত্বের হাত বাড়িয়ে লাভ নেই

ভারতের সঙ্গে সম্পর্কের ক্ষেত্রে সীমান্তে হত্যা ও কাঁটাতারের বেড়া বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কের পরিপন্থী বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহবায়ক ও বিরোধীদলীয় চিপ হুইপ নাহিদ ইসলাম। তিনি বলেন, সীমান্তে কাঁটাতার দিয়ে, মানুষ হত্যা করে বন্ধুত্বের হাত বাড়িয়ে লাভ নেই।
বিজ্ঞাপন
মঙ্গলবার (১২ মে) বিকেলে রাজধানীর ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউটে আয়োজিত ‘শাপলা গণহত্যা; বিচারহীনতার এক যুগ’ শীর্ষক আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন। অনুষ্ঠানের আয়োজন করে ন্যাশনাল ওলামা অ্যালায়েন্স।
আলোচনা সভায় নাহিদ ইসলাম বলেন, প্রতিবেশী দেশ ভারতে মুসলিমদের ওপর নির্যাতনের অভিযোগ বিভিন্ন সময় সামনে এসেছে।
বিজ্ঞাপন
এর বিপরীতে বাংলাদেশের সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির উদাহরণ তুলে ধরে তিনি বলেন, দেশের সংকটময় সময়ে মাদরাসার শিক্ষার্থীরাই মন্দির পাহারায় অংশ নিয়েছিল। এর মাধ্যমে বাংলাদেশের জনগণের সহাবস্থান ও ধর্মীয় সহনশীলতার চিত্র ফুটে ওঠে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
শাপলা চত্বরের ঘটনার প্রসঙ্গ টেনে এনসিপি আহ্বায়ক বলেন, ওই ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের বিচার নিশ্চিত করা গেলে পরবর্তী সময়ে দেশে আরও বড় রাজনৈতিক সংকট তৈরি হতো না।

তার দাবি, বিচারহীনতার সংস্কৃতির কারণেই পরবর্তীতে সরকার আরও কঠোর অবস্থান নেওয়ার সাহস পেয়েছিল এবং নতুন করে সহিংস ঘটনার সুযোগ সৃষ্টি হয়েছিল।
বিজ্ঞাপন
তিনি বলেন, রাষ্ট্রে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা না হলে রাজনৈতিক অস্থিরতা বাড়তে থাকে। অতীতের ঘটনাগুলোর সুষ্ঠু তদন্ত ও বিচার না হওয়ায় দেশে গণতান্ত্রিক পরিবেশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন ইসহাক সরকার। তিনি বলেন, শাপলা চত্বরের ঘটনার সময় খালেদা জিয়া দলীয় নেতাকর্মীদের মাঠে নামার আহ্বান জানিয়েছিলেন। তবে বিএনপির ভেতরে থাকা বামপন্থী নেতাদের অবস্থানের কারণে তখন হেফাজতের আন্দোলন কাঙ্ক্ষিত সাফল্য পায়নি।
বিজ্ঞাপন
সভায় বক্তারা শাপলা চত্বরের ঘটনার বিচার দাবি করেন এবং রাজনৈতিক সহিংসতার পুনরাবৃত্তি রোধে কার্যকর উদ্যোগ নেওয়ার আহ্বান জানান।








