Logo

সরকারের সিদ্ধান্তেই লংমার্চে নামতে বাধ্য করেছে: পাটওয়ারী

profile picture
নিজস্ব প্রতিবেদক
১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১৩:৪৪
সরকারের সিদ্ধান্তেই লংমার্চে নামতে বাধ্য করেছে: পাটওয়ারী
ছবি: সংগৃহীত

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী বলেছেন, গুমসহ বিভিন্ন ইস্যুর সমাধান সংসদে করা সম্ভব হলে আমাদের লংমার্চে নামতে হতো না। সরকারের বিভিন্ন সিদ্ধান্ত ও ভূমিকার কারণেই আমাদের রাজপথে নামতে বাধ্য করেছে।

বিজ্ঞাপন

শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) সকালে রাজধানীর মানিক মিয়া অ্যাভিনিউয়ে ১১ দলীয় ঐক্যের ঢাকা-রংপুর লংমার্চের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বক্তব্য দিতে গিয়ে এসব কথা বলেন নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী।

তিনি বলেন, “লড়াইটা অনেক আগে শুরু হয়েছে। এই লড়াইটা বাংলাতে শহীদ তিতুমিরের লড়াই, হাজী শরীয়তুল্লাহর লড়াই, বাংলাদেশে মওলানা ভাসানীর লড়াই, সেই লড়াইয়ের একজন অংশীজন হিসেবে আজকে আমরা এখানে লংমার্চের ঐতিহাসিক আমাদের যাত্রায় জাতীয় সংসদের সামনে উপস্থিত হয়েছি।”

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

লংমার্চের কারণ নিয়ে সরকারের প্রশ্নের জবাবে এনসিপির এই নেতা বলেন, বিরোধীদলীয় নেতা এ বিষয়ে দেশের সামনে স্পষ্ট বক্তব্য দিয়েছেন। তাদের ৮ দফা দাবি সরকার বুঝতে না পারলে তা বোঝাতে তারা প্রস্তুত বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী বলেন, “গতকালকে আমরা এখানে একটা প্রোগ্রাম করেছিলাম। সরকার যেখানে সালাহউদ্দিন ভাই থেকে ইলিয়াস আলী গুম হয়েছিল। কিন্তু সরকার গুমের সংসদে কালো আইন পাশ করেছে। এর প্রতিবাদে আমাদের ১১ দলীয় জোট ও বিরোধী দলীয় নেতারা সংসদে কালো কাপড় বেঁধে ‘কালো দিবস’ পালন করেছেন। একই সঙ্গে সংসদ থেকে ওয়াকআউট করে সরকারকে বার্তা দেওয়ার চেষ্টা করা হয়েছে।”

বিজ্ঞাপন

তিনি আরও বলেন, সংসদে আলোচনা হলে লংমার্চের প্রয়োজন কেন—সরকারের এমন প্রশ্নেরও জবাব দিয়েছেন তারা। তার বক্তব্য, সংসদে গুম ও অন্যান্য সমস্যার সমাধান করা সম্ভব হলে রাজপথে নামার প্রয়োজন পড়ত না।

নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী বলেন, “সরকার আমাদের জিজ্ঞেস করছে কেন আমরা লং মার্চ করছি। এই বিষয়ে বিরোধীদলীয় নেতা সুস্পষ্টভাবে বাংলাদেশের কাছে বক্তব্য উপস্থাপন করেছেন। সরকার যদি অন্ধ হয়ে যায় আমাদের ৮ দফা দাবি যদি পড়তে সক্ষম না হয় সরকারকে শিক্ষিত করতে প্রস্তুত আছি।”

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

তিনি আরও বলেন, “ওসমান হাদির বিচার, মানবাধিকার রক্ষা, গুমের কালো আইন, সাইবার সিকিউরিটি আইন, পুরাতন বোতলে যে নতুনভাবে ঢুকানো হয়েছে। এই এসআরবি বিলুপ্তকরণসহ বাংলাদেশের তিস্তাপাড়ার মানুষের দুঃখ গুছানোর জন্য বাংলাদেশের মানুষের আজাদীর জন্য যতদিন পর্যন্ত আমরা জীবিত থাকবো এই আজাদীর লড়াই চলবে।”

লংমার্চের কর্মসূচি প্রসঙ্গে তিনি বলেন, শনিবারের মিছিল রংপুরের উদ্দেশে যাত্রা শুরু করেছে। ভবিষ্যতে আজাদীর মিছিল সিলেটসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় এবং মানুষের ঘরে ঘরে পৌঁছাবে বলেও বক্তব্য দেন তিনি।

বিজ্ঞাপন

শেষে তিনি বলেন, “লক্ষ কোটি জনতা আবার রাজপথে বেরিয়ে এসে নতুন করে আবার বলবে শেখ হাসিনা তুমি বিদায় হয়েছে তোমার পথ তারেক রহমান রওয়ানা দিয়েছে। তারেক তুমি কবে যাবে বাংলাদেশ মুক্তি পাবে। তারেক তুমি কবে যাবে বাংলাদেশ মুক্তি পাবে।”

জেবি/এএস

জনবাণী এর সকল স্বত্ব সংরক্ষিত। কপিরাইট © ২০২৬

Developed by: AB Infotech LTD