Logo

জামায়াত আমিরের ডিভাইস নিয়ে গুরুতর অভিযোগ রাশেদ খাঁনের

profile picture
নিজস্ব প্রতিবেদক
২৪ অক্টোবর, ২০২৬, ১৫:১৩
জামায়াত আমিরের ডিভাইস নিয়ে গুরুতর অভিযোগ রাশেদ খাঁনের
ছবি: সংগৃহীত

জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমানের ব্যবহৃত ডিভাইস তদন্ত সংস্থাকে না দেওয়ার পেছনে বড় ধরনের অপরাধের তথ্য লুকানোর বিষয় থাকতে পারে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী মো. রাশেদ খাঁন। তবে এ বিষয়ে তিনি কোনো প্রমাণ উপস্থাপন করেননি; এটি তার ব্যক্তিগত অভিযোগ।

বিজ্ঞাপন

শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে একটি গণমাধ্যমের প্রতিবেদন যুক্ত করে এ মন্তব্য করেন রাশেদ খাঁন। ওই প্রতিবেদনের শিরোনাম ছিল, ‘জামায়াত আমিরের এক্স অ্যাকাউন্ট হ্যাকড: ডিবি চায় ডিভাইস, জামায়াতের উদ্বেগ নিরাপত্তায়’।

পোস্টে জামায়াত আমিরকে উদ্দেশ করে রাশেদ খাঁন প্রশ্ন তোলেন, যিনি কখনো মিথ্যা বলেননি বলে দাবি করেন, তিনি কেন এত নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন। কর্মজীবী নারীদের নিয়ে বিতর্কিত মন্তব্যের বিষয়টি সত্য কি না, তা নিয়েও প্রশ্ন করেন তিনি।

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

রাশেদ খাঁন আরও লেখেন, মোবাইল ফোন তদন্তের জন্য হেফাজতে নেওয়া হলে আরও বড় অপরাধের তথ্য বেরিয়ে আসতে পারে কি না, কিংবা শেখ হাসিনার সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগের বিষয়ে প্রকাশিত তথ্য সঠিক কি না, তা নিয়েও প্রশ্ন রয়েছে। ডিভাইস না দেওয়ার পেছনে বড় ধরনের অপরাধ লুকানোর বিষয় থাকতে পারে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

ওই গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়, জামায়াত আমিরের এক্স (সাবেক টুইটার) অ্যাকাউন্ট হ্যাক হওয়ার অভিযোগের আট মাসের বেশি সময় পার হয়েছে। এ ঘটনায় দায়ের করা মামলার তদন্তে শফিকুর রহমানের ব্যবহৃত মুঠোফোনসহ সংশ্লিষ্ট ডিভাইস চেয়ে বাদীপক্ষকে অন্তত তিনবার চিঠি দিয়েছে গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। ডিভাইসগুলো জব্দ করে ফরেনসিক পরীক্ষার জন্য আদালতের অনুমতিও নেওয়া হয়েছে। তবে প্রতিবেদন অনুযায়ী, সেগুলো এখনো তদন্ত সংস্থার হাতে পৌঁছায়নি।

বিজ্ঞাপন

এর আগে চলতি বছরের ৩১ জানুয়ারি জামায়াত আমিরের এক্স অ্যাকাউন্ট থেকে ইংরেজিতে একটি পোস্ট প্রকাশিত হয়। পোস্টের একটি অংশে বলা হয়েছিল, আধুনিকতার নামে নারীদের ঘর থেকে বের করা হলে তারা শোষণ, নৈতিক অবক্ষয় ও নিরাপত্তাহীনতার মুখোমুখি হন এবং এটি পতিতাবৃত্তির অন্য একটি রূপ।

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

পোস্টটি ঘিরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক সমালোচনা হয়। পরে রাজপথেও বিক্ষোভ হয়। বিএনপিসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও সংগঠন অভিযোগ করে, ওই বক্তব্যে কর্মজীবী নারীদের অবমাননা করা হয়েছে।

অন্যদিকে, জামায়াতের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়, সরকারি ই-মেইল ব্যবহার করে আমিরের এক্স অ্যাকাউন্ট হ্যাক করে বিতর্কিত পোস্টটি দেওয়া হয়েছিল।

এ ঘটনায় প্রথমে সাধারণ ডায়েরি এবং পরে মামলা করা হয়। মামলায় রাষ্ট্রপতির কার্যালয়ের সহকারী প্রোগ্রামার মোহাম্মদ ছরওয়ারে আলমসহ অজ্ঞাতনামা ১৫ থেকে ২০ জনকে আসামি করা হয়। ৩ ফেব্রুয়ারি রাতে ডিবি ছরওয়ারকে আটক করে এবং তার মুঠোফোন ও ল্যাপটপ জব্দ করে। পরদিন তাকে মামলায় গ্রেপ্তার দেখানোর কথা জানায় ডিবি। তবে ওই দিনই আদালত থেকে জামিন পান তিনি।

জেবি/এএস

জনবাণী এর সকল স্বত্ব সংরক্ষিত। কপিরাইট © ২০২৬

Developed by: AB Infotech LTD