মুখে থাপ্পড় খাওয়ার মতো অনুভূতি হচ্ছে: এইডেন মার্করাম

টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপের প্রথম সেমিফাইনালে নিউজিল্যান্ডের কাছে ৯ উইকেটের বড় ব্যবধানে হারের পর দক্ষিণ আফ্রিকার অধিনায়ক এইডেন মার্করাম জানিয়েছেন, এই হার তাদের জন্য এক ধরনের ‘মুখে থাপ্পড় খাওয়ার’ অনুভূতি তৈরি করেছে। তিনি ম্যাচটিকে দলের জন্য ‘খারাপ রাত’ হিসেবেও বর্ণনা করেছেন।
বিজ্ঞাপন
ম্যাচ শেষে পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে মার্করাম বলেন, ‘হ্যাঁ, আমরা ভীষণ হতাশ। এটা যেন বড় একটা ধাক্কার মতো। পুরোপুরি মুখে থাপ্পড় না হলেও ঠিক তেমনই মনে হচ্ছে। তবে এই অভিজ্ঞতা থেকে আমরা আরও শক্ত হয়ে ফিরতে চাই এবং ভবিষ্যতে দল হিসেবে আরও ভালো হতে চাই।’
আরও পড়ুন: ঋতুপর্ণাকে ঘিরে সতর্ক উত্তর কোরিয়ার কোচ
কলকাতার ইডেন গার্ডেনসের উইকেটের ব্যাটিং সহায়ক হওয়ার আশা করেছিলেন মার্করাম। তিনি উল্লেখ করেন, যদি ব্যাটাররা কিছুটা ‘পুরনো ধাঁচের’ পরিকল্পনা নিয়ে খেলতেন, তাহলে ১৯০ রানের স্কোর করা সম্ভব হতো। কিন্তু শেষ পর্যন্ত দক্ষিণ আফ্রিকা ১৬৯ রানে থেমে যায়।
বিজ্ঞাপন
এই রানটি নিউজিল্যান্ডের জন্য খুব একটা চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়ায়নি। মাত্র ১৩ ওভারের কম সময়ে লক্ষ্য তাড়া করে জয় তুলে নেয় তারা। দলের হয়ে মাত্র ৩৩ বলে দুর্দান্ত সেঞ্চুরি করেন ফিন অ্যালেন।
মার্করাম বলেন, ‘আমরা দল হিসেবে ম্যাচটি নিয়ে অবশ্যই আলোচনা করব। উইকেট দেখতে খুব ভালো লাগছিল, তাই হয়তো ব্যাটিংয়ে একটু দ্রুত মানিয়ে নেওয়া দরকার ছিল। একটু পুরনো ধাঁচের পদ্ধতিতে ইনিংস গড়ে তুলে ১৯০ রানের দিকে যাওয়ার চেষ্টা করা যেত। ফলাফল নিয়ে আমরা হতাশ, কিন্তু এই দলের জন্য আমি গর্বিত। পুরো টুর্নামেন্ট জুড়েই তারা দারুণ ক্রিকেট খেলেছে। আজ (বুধবার) কেবল একটি দুর্ভাগ্যজনক রাত ছিল।’
আরও পড়ুন: খারাপ সময়ে বাটলারের পাশে দাঁড়ালেন ব্রুক
বিজ্ঞাপন
দক্ষিণ আফ্রিকা ৭৭ রানে ৫ উইকেট হারিয়ে বসেছিল। সেখান থেকে মার্কো জানসেনের ঝোড়ো ফিফটিতে ১৬৯ পর্যন্ত পৌঁছায় প্রোটিয়ারা। চ্যালেঞ্জিং পুঁজিই। কিন্তু রান তাড়ায় নিউজিল্যান্ডের ব্যাটিং ছিল দুর্দান্ত। ওপেনিং জুটিতে মাত্র ৪৭ বলেই ১০০ রান তুলে নেন ফিন অ্যালেন আর টিম শেইফার্ট, ফলে প্রোটিয়ারা আর ম্যাচে ফিরতে পারেনি।
মার্করাম বলেন, ১৭০ রানে পৌঁছানো একটি ভালো চেষ্টা ছিল। ইনিংসের মাঝামাঝি সময়ে মনে হয়েছিল, কিছুটা সুযোগ আছে। কিন্তু টি–টোয়েন্টি খেলার ধরন এমন যে, তাদের পাওয়ারপ্লে অসাধারণ ছিল। সব বাউন্ডারি আটকানো সম্ভব নয়। তারা দ্রুত এগোয় এবং তখন ম্যাচে ফেরার সুযোগ কমে যায়।








