৩৬ বছর পর বিশ্বকাপে মুখোমুখি হতে যাচ্ছে ব্রাজিল-আর্জেন্টিনা!

ফুটবল বিশ্বের অন্যতম আকর্ষণীয় প্রতিদ্বন্দ্বিতা ব্রাজিল ও আর্জেন্টিনার। দুই চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী দলের লড়াই ঘিরে ভক্তদের আগ্রহ থাকে সবসময়ই। আর সেটি যদি বিশ্বকাপের মঞ্চে হয়, তাহলে উত্তেজনা পৌঁছে যায় ভিন্ন মাত্রায়। প্রায় ৩৬ বছর পর আবারও বিশ্বকাপে মুখোমুখি হওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে দক্ষিণ আমেরিকার এই দুই পরাশক্তির।
বিজ্ঞাপন
বিশ্বকাপের মূল পর্বে সর্বশেষ ১৯৯০ সালে ইতালিতে অনুষ্ঠিত আসরে ব্রাজিল ও আর্জেন্টিনা একে অপরের বিপক্ষে খেলেছিল। এরপর কেটে গেছে তিন দশকেরও বেশি সময়, কিন্তু বিশ্বকাপে আর দেখা হয়নি তাদের। তবে চলমান আসরে সেমিফাইনালে দুই দলের মুখোমুখি হওয়ার সম্ভাবনা জোরালো হয়েছে।
গ্রুপ পর্বে টানা দুই ম্যাচ জিতে ‘জে’ গ্রুপের শীর্ষস্থান নিশ্চিত করেছে আর্জেন্টিনা। শেষ ম্যাচে তাদের প্রতিপক্ষ জর্ডান। সেই ম্যাচেও জয় পেলে পূর্ণ আত্মবিশ্বাস নিয়েই নকআউট পর্বে যাবে লিওনেল মেসির দল। দ্বিতীয় রাউন্ডে তাদের সম্ভাব্য প্রতিপক্ষ হতে পারে ‘এইচ’ গ্রুপের রানার্সআপ দল, যেখানে উরুগুয়ে এগিয়ে রয়েছে।
বিজ্ঞাপন
অন্যদিকে শুরুটা প্রত্যাশামতো না হলেও হাইতিকে হারিয়ে ‘সি’ গ্রুপের শীর্ষে উঠেছে ব্রাজিল। শেষ ম্যাচে স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে হার এড়াতে পারলেই গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হিসেবে শেষ ষোলো নিশ্চিত করবে সেলেসাওরা। সে ক্ষেত্রে দ্বিতীয় রাউন্ডে তাদের সম্ভাব্য প্রতিপক্ষ জাপান।
বর্তমান অবস্থান অনুযায়ী, ব্রাজিল ও আর্জেন্টিনা নিজেদের দ্বিতীয় রাউন্ড, তৃতীয় রাউন্ড এবং কোয়ার্টার ফাইনালের বাধা পেরোতে পারলে সেমিফাইনালে একে অপরের মুখোমুখি হবে।
বিশ্বকাপে দুই দলের শেষ সাক্ষাৎ হয়েছিল ১৯৯০ সালের ২৪ জুন ইতালির তুরিনে। রাউন্ড অব সিক্সটিনের সেই ম্যাচে আর্জেন্টিনা ১-০ গোলে হারিয়েছিল ব্রাজিলকে। ম্যাচের ৮১তম মিনিটে দিয়েগো ম্যারাডোনার অসাধারণ পাস থেকে জয়সূচক গোল করেন ক্লদিও ক্যানিজিয়া।
বিজ্ঞাপন
বিশ্বকাপের নকআউট পর্বে সেটিই এখন পর্যন্ত ব্রাজিল-আর্জেন্টিনার একমাত্র লড়াই। ফলে সম্ভাব্য সেমিফাইনালে সেই পরাজয়ের প্রতিশোধ নিতে চাইবে ব্রাজিল। অন্যদিকে আর্জেন্টিনা চাইবে আরেকটি বিশ্বকাপ শিরোপার পথে সবচেয়ে বড় প্রতিদ্বন্দ্বীকে হারিয়ে এগিয়ে যেতে।








