নেইমারের ফেরার ম্যাচে স্কটল্যান্ডকে ৩ গোলে উড়িয়ে দিল ব্রাজিল

দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান ঘটিয়ে জাতীয় দলে ফিরলেন নেইমার জুনিয়র, আর তার প্রত্যাবর্তনের ম্যাচেই দাপুটে জয় তুলে নিল ব্রাজিল। ভিনিসিয়ুস জুনিয়রের জোড়া গোল ও ম্যাথিউস কুনহার এক গোলের সৌজন্যে স্কটল্যান্ডকে ৩-০ ব্যবধানে হারিয়ে গ্রুপসেরা হিসেবে নকআউট পর্বে জায়গা নিশ্চিত করেছে সেলেসাওরা।
বিজ্ঞাপন
মায়ামির হার্ড রক স্টেডিয়ামে ম্যাচের শুরু থেকেই ছন্দে ছিল ব্রাজিল। প্রথমার্ধে দুই গোল হজম করে চাপে পড়ে যায় স্কটল্যান্ড। বিরতির পর তারা ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা করলেও ব্রাজিলের রক্ষণ ও গোলরক্ষক অ্যালিসনের দৃঢ়তায় বারবার ব্যর্থ হয়। একাধিক নিশ্চিত সুযোগ নষ্ট করে হতাশ হতে হয় স্কটিশদের।

অন্যদিকে ম্যাচের ৬০ মিনিটে ব্যবধান আরও বাড়িয়ে দেন ম্যাথিউস কুনহা। ব্রুনো গুইমারেসের নিখুঁত পাস থেকে গোল করে চলতি আসরে নিজের তৃতীয় গোলটি করেন তিনি। গোলের পর সতীর্থদের সঙ্গে তার উদযাপনও গ্যালারিতে থাকা ব্রাজিল সমর্থকদের উচ্ছ্বাস আরও বাড়িয়ে দেয়। আগের ম্যাচেও জোড়া গোল করেছিলেন এই ফরোয়ার্ড।
এর আগে ম্যাচের সপ্তম মিনিটেই ব্রাজিলকে এগিয়ে দেন ভিনিসিয়ুস জুনিয়র। প্রতিপক্ষের রক্ষণভাগের ভুলের সুযোগ নিয়ে গোলরক্ষককে পরাস্ত করে প্রথম গোলটি করেন তিনি। এরপর প্রথমার্ধের যোগ করা সময়ে গুইমারেসের ক্রস থেকে দারুণ এক হেডে নিজের দ্বিতীয় গোল তুলে নেন এই তারকা। বিশ্বকাপে এটি ছিল তার চতুর্থ গোল।
বিজ্ঞাপন

ম্যাচজুড়ে আরও কয়েকটি ভালো সুযোগ পেয়েছিল ব্রাজিল। সেগুলো কাজে লাগাতে পারলে ব্যবধান আরও বড় হতে পারত। তবে দীর্ঘদিন পর নেইমারের মাঠে ফেরা এবং দাপুটে জয়—দুই মিলিয়ে সন্তুষ্ট থাকার যথেষ্ট কারণ রয়েছে আনচেলত্তির দলের।
স্কটল্যান্ডও লড়াই চালিয়ে গেছে শেষ পর্যন্ত। বিশেষ করে দ্বিতীয়ার্ধে কয়েকবার ব্রাজিলের রক্ষণে চাপ সৃষ্টি করেছিল তারা। কিন্তু অ্যালিসনের দুর্দান্ত সেভ এবং ডিফেন্ডারদের দৃঢ়তায় গোলের দেখা পায়নি দলটি।
তিন ম্যাচ শেষে ৭ পয়েন্ট নিয়ে গ্রুপের শীর্ষস্থান ধরে রেখেছে ব্রাজিল। অন্যদিকে ৩ পয়েন্ট নিয়ে তৃতীয় অবস্থানে থেকে টুর্নামেন্ট শেষ করতে হয়েছে স্কটল্যান্ডকে।








