আর্জেন্টিনা-ইংল্যান্ড ম্যাচের আগে দুই দলের সমর্থকদের সংঘর্ষ

২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপের বহুল আলোচিত সেমিফাইনালে আগামী ১৫ জুলাই মুখোমুখি হবে চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী আর্জেন্টিনা ও ইংল্যান্ড। ম্যাচের আগেই ভেন্যু শহর আটলান্টায় দুই দলের সমর্থকদের মধ্যে একাধিক সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে স্থানীয় প্রশাসন ও আয়োজকদের মধ্যে।
বিজ্ঞাপন
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া বিভিন্ন ভিডিওতে দেখা যায়, আটলান্টার বিভিন্ন এলাকা ও বিনোদনকেন্দ্রের আশপাশে দুই দলের সমর্থকদের মধ্যে হাতাহাতি ও মারামারি হয়েছে। কোথাও কোথাও ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া এবং ঘুষাঘুষির ঘটনাও ঘটে। পরে পুলিশ ও নিরাপত্তাকর্মীরা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
ঘটনার পর পুরো শহরে নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও জোরদার করেছে আটলান্টা পুলিশ। বিশেষ করে স্টেডিয়াম, ফ্যান জোন, বার, রেস্টুরেন্ট এবং সমর্থকদের সম্ভাব্য জমায়েতস্থলে অতিরিক্ত আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য মোতায়েন করা হচ্ছে। ম্যাচে প্রায় ৭৫ হাজার দর্শক উপস্থিত থাকতে পারেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। একই স্টেডিয়ামে দুই দলের বিপুলসংখ্যক সমর্থকের উপস্থিতি নিরাপত্তা সংস্থার জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখা হচ্ছে।
আরও পড়ুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
পরিস্থিতির ওপর নিবিড় নজর রাখছে ফিফা ও স্থানীয় আয়োজকরাও। সম্ভাব্য অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে অতিরিক্ত নজরদারি, নিরাপত্তা এবং দ্রুত প্রতিক্রিয়া নিশ্চিত করতে বিশেষ পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।
এ পর্যন্ত আটলান্টার বাইরে অন্য কোনো বিশ্বকাপ ভেন্যুতে ইংল্যান্ড ও আর্জেন্টিনার সমর্থকদের মধ্যে বড় ধরনের সংঘর্ষের তথ্য পাওয়া যায়নি। তবে টুর্নামেন্টের আগের নকআউট পর্বে আর্জেন্টিনার কিছু সমর্থকের বিরুদ্ধে মিশর ও কেপ ভার্দের সমর্থকদের সঙ্গে উত্তেজনা, বর্ণবাদী আচরণ এবং বিচ্ছিন্ন সংঘর্ষের অভিযোগ উঠেছিল। যদিও সেসব ঘটনা আটলান্টার মতো বড় আকার ধারণ করেনি।
আর্জেন্টিনা ও ইংল্যান্ডের ফুটবল দ্বৈরথ দীর্ঘদিনের। ১৯৮২ সালের ফকল্যান্ড যুদ্ধ, ১৯৮৬ বিশ্বকাপে দিয়েগো ম্যারাডোনার বিতর্কিত ‘হ্যান্ড অব গড’ গোল এবং দুই দেশের ঐতিহাসিক প্রতিদ্বন্দ্বিতা এই ম্যাচকে বরাবরই বাড়তি উত্তেজনার কেন্দ্রবিন্দুতে রেখেছে। সেই আবহ এবার মাঠের বাইরেও ছড়িয়ে পড়েছে।
বিজ্ঞাপন
সূত্র: আন্তর্জাতিক ক্রীড়া গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশিত তথ্য।








