চমেক হাসপাতালে দুদকের অভিযানে মিলেছে অনিয়মের প্রমাণ

ছবি: সংগৃহীত
এক গ্রাহকের করা অভিযোগের ভিত্তিতে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে চালানো অভিযানে অনিয়মের প্রমাণ পেয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক)। তবে চমেক ক...
বিজ্ঞাপন
এক গ্রাহকের করা অভিযোগের ভিত্তিতে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে চালানো অভিযানে অনিয়মের প্রমাণ পেয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক)। তবে চমেক কর্তৃপক্ষ বলেছেন এ অনিয়ম তেমন গুরুতর নয়।
বৃহস্পতিবার (১০ মার্চ) দুদকের ৪ সদস্যের তদন্ত টিম অভিযানে এসে এ প্রমাণ পায় বলে জানান দুদক চট্টগ্রাম কার্যালয়-১ এর উপ পরিচালক মো. নাজমুচ্ছায়াদাত।
বিজ্ঞাপন
দুদক কর্মকর্তা উপ-পরিচালক মো. নাজমুচ্ছায়াদাত সাংবাদিকদের বলেন, দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) হটলাইন ১০৬ নাম্বারে ফোন করে এক গ্রাহকের অভিযোগের ভিত্তিতে এই অভিযান করা হয়েছে। এতে কিছু ক্ষেত্রে অনিয়ম পাওয়া গেছে। তবে এত অল্প সময়ে সবকিছু পরীক্ষা নিরীক্ষা করা সম্ভব হয়নি। ওষুধের স্টোরের হিসেবের সঙ্গে ফার্মেসিতে আনা হিসাবের মিল নেই। এসব হিসাব রেজিস্ট্রার খাতায় সঠিকভাবে লেখাও হয়নি। এনিয়ে ফার্মেসিতে দায়িত্বরতকে জিজ্ঞাসাবাদ করলে, কোনো সদুত্তরও পাওয়া যায়নি। তবে এ বিভাগে জনবল সংকটের একটি যুক্তি দেন এক কর্মকর্তা।
তবে আমরা কাগজপত্র নিয়েছি। বিষয়গুলো আরও তদন্ত করে দেখা হবে। এসব কাগজপত্র ঊধ্বর্তন কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠানো হবে বলেও জানান দুদক কর্মকর্তা।
চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ওষুধ স্টোর শাখার ইনচার্জ ডা. হুমায়ুন কবির বলেন, দুদক টিমের অভিযানে আমরা তাদের সহযোগিতা করেছি। কোন অনিয়ম পাওয়া যায়নি। তবে কিছু প্রক্রিয়ার বিষয়ে আরও সতর্ক থাকতে বলেছেন তারা। আমরা ফার্মেসি এবং ওয়ার্ডে ওষুধ সরবরাহ দেওয়ার ক্ষেত্রে সতর্কতা অবলম্বন করে থাকি। ওয়ার্ডের ইনচার্জ ছাড়া কাউকে ওষুধ সরবরাহ করা হয় না।
বিজ্ঞাপন
এসএ/








