একসঙ্গে দেশ গড়ার অঙ্গীকার সারজিস ও নওশাদের

পঞ্চগড়-১ আসনের জন্য জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক ও প্রার্থী সারজিস আলম এবং একই আসনের বিএনপির মনোনীত প্রার্থী ব্যারিস্টার মুহাম্মদ নওশাদ জমি একসঙ্গে দেশ গড়ার অঙ্গীকার করেছেন।
বিজ্ঞাপন
শনিবার (৩ জানুয়ারি) দুপুরে জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই পর্ব শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তারা এই প্রত্যয় প্রকাশ করেন। এ সময় উভয় প্রার্থী পরস্পরের সঙ্গে কোলাকুলি করে সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্কের দৃষ্টান্ত স্থাপন করেন।
সারজিস আলম বলেন, বিএনপির প্রার্থী নওশাদ জমির ভাইসহ আমরা পারস্পরিক শ্রদ্ধার ভিত্তিতে নির্বাচনী কার্যক্রম সম্পন্ন করছি। নির্বাচনের শেষ দিন পর্যন্ত এবং নির্বাচনের পরেও আমাদের এই সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্ক বজায় থাকবে। আমাদের দল আলাদা হতে পারে, আদর্শিক ভিন্নতা থাকতে পারে, তবে পঞ্চগড় ও দেশের স্বার্থে আমরা একসাথে কাজ করে যাব। সম্ভবত এটি প্রথমবারের মতো যে বিএনপির প্রার্থী ও সমমনা অন্যান্য দলের একজন প্রার্থী একসঙ্গে প্রেস ব্রিফিং করছেন। আমি বিশ্বাস করি, এই সৌহার্দ্য পঞ্চগড়ের উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
বিজ্ঞাপন
এদিকে ব্যারিস্টার মুহাম্মদ নওশাদ জমি বলেন, আমাদের দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে দল শোকের মধ্যে রয়েছে। শোকের মাঝেও সাংবিধানিক নিয়ম মেনে নির্বাচনী কার্যক্রম চালাচ্ছি। সারজিস আলম যা বলেছেন, আমি তাতে একমত। দল ও আদর্শ ভিন্ন হতে পারে, তবে বাংলাদেশের জন্য এবং পঞ্চগড়ের মানুষের কল্যাণে আমরা সবাই সমানভাবে কাজ করব। একটি সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের মাধ্যমে জবাবদিহিমূলক সরকার গঠনই আমাদের লক্ষ্য।
জানা গেছে, পঞ্চগড় জেলার দুটি আসনে মোট ১৯ জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন। বাছাইপর্ব শেষে পঞ্চগড়-১ আসনে একজন এবং পঞ্চগড়-২ আসনে ছয়জন প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিল ঘোষণা করা হয়েছে। পঞ্চগড়-১ আসনে সাতজন এবং পঞ্চগড়-২ আসনে পাঁচজন প্রার্থীর মনোনয়ন বৈধ ঘোষণা করা হয়েছে।
বিজ্ঞাপন
পঞ্চগড়-১ আসনে জাগপা প্রার্থী রাশেদ প্রধানের মনোনয়ন বাতিল হয়েছে। পঞ্চগড়-২ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী রাহিমুল ইসলাম বুলবুল, মাহমুদ হোসেন সুমন, জাগপা প্রার্থী রাশেদ প্রধান, এলডিপি প্রার্থী রেজাউল ইসলাম, জাতীয় পার্টির লুৎফর রহমান এবং কমিউনিস্ট পার্টির আশরাফুল ইসলামের মনোনয়ন বাতিল করা হয়েছে।
উভয় প্রার্থী নির্বাচনী প্রচারণার মধ্য দিয়ে তাদের পারস্পরিক সৌহার্দ্য ও দেশের উন্নয়নের অঙ্গীকার বাস্তবায়নের প্রতিশ্রুতি দেন।








