মৌলভীবাজারে চার আসনে মনোনয়ন যাচাই-বাছাই সম্পন্ন

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে মৌলভীবাজার জেলার চারটি সংসদীয় আসনে দাখিল করা মনোনয়নপত্রের যাচাই-বাছাই সম্পন্ন হয়েছে। যাচাই শেষে মোট ৩১ জন প্রার্থীর মধ্যে ৫ জনের মনোনয়নপত্র বাতিল ঘোষণা করা হয়েছে।
বিজ্ঞাপন
শনিবার (৩ জানুয়ারি) দুপুরে জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে এ যাচাই-বাছাই কার্যক্রম অনুষ্ঠিত হয়। জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং কর্মকর্তা তৌহিদুজ্জামান পাভেল পর্যায়ক্রমে চারটি আসনের মনোনয়ন যাচাই করেন। এ সময় সংশ্লিষ্ট প্রার্থী ও তাদের কর্মী-সমর্থকেরা উপস্থিত ছিলেন।
জেলা নির্বাচন কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, মৌলভীবাজার জেলায় মোট ভোটার সংখ্যা ১৬ লাখ ১৪ হাজার ৯৩৬ জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ৮ লাখ ২৪ হাজার ৪৫৪ জন, নারী ভোটার ৭ লাখ ৯০ হাজার ৪৭৪ জন এবং হিজড়া ভোটার রয়েছেন ৮ জন।
বিজ্ঞাপন
মৌলভীবাজার-১ (বড়লেখা) : এই আসনে দাখিল করা ৭ জন প্রার্থীর মনোনয়নপত্রই বৈধ ঘোষণা করা হয়েছে। বৈধ প্রার্থীরা হলেন—নাসির উদ্দিন আহমেদ (বিএনপি), মোহাম্মদ আমিনুল ইসলাম (বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী), লোকমান আহমদ (খেলাফত মজলিস), বেলাল আহমদ (স্বতন্ত্র), সাইফুল ইসলাম (বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস) ,আহমদ রিয়াজ (জাতীয় পার্টি), মো. শরিফুল ইসলাম (গণফ্রন্ট)।
মৌলভীবাজার-২ (কুলাউড়া): এই আসনে মোট ৮ জন প্রার্থীর মনোনয়ন যাচাই করা হয়। এর মধ্যে স্বতন্ত্র প্রার্থী এম জিমিউর রহমান চৌধুরীর মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়েছে। বাকি প্রার্থীদের মনোনয়ন বৈধ ঘোষণা করা হয়।
মৌলভীবাজার-৩ (মৌলভীবাজার–রাজনগর): এই আসনে ৭ জন প্রার্থীর মধ্যে ২ জন স্বতন্ত্র প্রার্থী—রেজিনা নাসের ও মো. ইলিয়াসের মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়েছে। বৈধ প্রার্থীরা হলেন—এম নাসের রহমান (বিএনপি), মো. আব্দুল মান্নান (বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী), আহমদ বিলাল (বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস), মোহাম্মদ লুৎফুর রহমান কামালী (বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস), জহর লাল দত্ত (বাংলাদেশ কমিউনিস্ট পার্টি)।
বিজ্ঞাপন
মৌলভীবাজার-৪ (কমলগঞ্জ–শ্রীমঙ্গল): এই আসনে ৯ জন প্রার্থীর মধ্যে ২ জন স্বতন্ত্র প্রার্থী—জালাল উদ্দিন আহমদ জিপু ও মুঈদ আশিক চিশতীর মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়। বৈধ ঘোষিত প্রার্থীরা হলেন—মো. মহসিন মিয়া (স্বতন্ত্র), শেখ নূরে আলম হামিদী (বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস), মোহাম্মদ আব্দুল রব (বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী), মো. মুজিবুর রহমান চৌধুরী (বিএনপি), মোহাম্মদ জরিফ হোসেন (জাতীয় পার্টি) মো. আবুল হোসেন (বাসদ), প্রীতম দাস (জাতীয় নাগরিক পার্টি—এনসিপি)।
জেলা প্রশাসন সূত্রে জানানো হয়েছে, যাচাই-বাছাইয়ে বাতিল হওয়া প্রার্থীরা নির্ধারিত সময়ের মধ্যে আপিল করার সুযোগ পাবেন।








