১০ বছর ধরে কাপড় ধোঁয়ার কাজ চলছিল অবিস্ফোরিত বোমায়

কক্সবাজারের রামুর একটি গ্রামে পাওয়া বোমা সদৃশ্য বস্তুটি ‘দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের অবিস্ফোরিত বোমা’ বলে ধারণা করা হচ্ছে।
বিজ্ঞাপন
রবিবার (২৫ জানুয়ারি) দুপুরে রামু থানার ওসি মনিরুল ইসলাম ভূঁইয়া জানিয়েছেন, রামু উপজেলার কাউয়ারখোপ ইউনিয়নের লট উখিয়ারঘোনা তচ্ছাখালী গ্রামের একটি পুকুর পাড়ে পাওয়া বস্তুটিতে গত ১০ বছর ধরে কাপড় ধোঁয়ার কাজ চালানো হয়। ৩ দিন আগে এটি নজরে আসার পর পুলিশ এটি নিরাপদ স্থানে রেখে নজরধারি দিচ্ছে। সেনা বাহিনীকে বিষয়টি অবহিত করার পর একটি দল ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। এটি দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের অবিস্ফোরিত বোমা বলে ধারণা করা হচ্ছে। ফলে নিরাপদে নিষ্ক্রিয় করার পরিকল্পনা ছলছে।
মনিরুল ইসলাম ভূঁইয়া বলেন, মূলত বস্তুটি একটি পুকুরে ছিল। যা ১০ বছর আগে স্থানীয় কেউ পুকুর থেকে তুলে পাড়ে রেখেছিল। এই বোমাটিতে গেলো ১০ বছর ধরে স্থানীয়রা কাপড় ধোঁয়ার কাজও করেছে।স্থানীয় এক সচেতন নাগরিক বোমার বিষয়টি পুলিশকে জানালে শুক্রবার ঘটনাস্থল পরিদর্শন করা হয়। এরপর বোমাটি নিরাপদ স্থানে রেখে চারপাশে ঘিরে রাখার পাশাপাশি নজরদারিতে রয়েছে।
বিজ্ঞাপন
রামুর ইতিহাস গবেষক আইনজীবী শিরূপন বড়ুয়া সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে বোমা সদৃশ্য বস্তুটির ছবি শেয়ার করে বস্তুটিকে দ্বিতীয় বিশ্ব যুদ্ধের অবিস্ফোরিত বোমা বলে দাবী করেছেন।
তিনি লেখেন- “২য় বিশ্বযুদ্ধের বোমা! এই বোমাটার উপর নাকি অনেকদিন যাবত মানুষ কাপড়কাচার কাজ করত! এটাতে এক্সপ্লোসিভ আছে কিনা পরীক্ষা করা দরকার। না থাকলে সংরক্ষণ করা উচিত দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের স্মারক হিসেবে। এটাও তো রামুর ইতিহাসের অংশ।”
বিজ্ঞাপন
পুলিশ জানিয়েছে, এটি লম্বা অনুমান ৪ ফুট, ব্যসার্ধ অনুমান ৪ ফুট, মরিচা থাকায় বড়িতেতে কিছু লেখা পাওয়া যায়নি।








