রাজারহাটে গণভোট সম্পর্কে ধারণা নেই বেশিরভাগ ভোটারের

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট নিয়ে রাজারহাটে ভোটারদের মধ্যে আগ্রহ থাকলেও, ‘গণভোট’ বিষয়টা কী তা ঠিকভাবে জানেন না অনেকেই। নির্বাচন নিয়ে যতটা আলোচনা হচ্ছে, গণভোট নিয়ে ততটা বোঝাপড়া নেই সাধারণ মানুষের মধ্যে।
বিজ্ঞাপন
উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নের গ্রাম, হাটবাজার ও জনসমাগমস্থলে ঘুরে দেখা গেছে বেশিরভাগ
মানুষই গণভোট শব্দটা প্রথমবার শুনছেন। বিশেষ করে চরাঞ্চলের ভোটাররা জানতে চাইলেও সঠিক
তথ্য না পাওয়ায় অনেকে বিভ্রান্ত।
বিজ্ঞাপন
ঘড়িয়ালডাঙ্গা ইউনিয়নের ভোটার ধনেশ্বর রায় বলেন, গণভোট সম্পর্কে শুধু টিভিতে দেখি। হ্যাঁ দিলে
কী হয়, না দিলে কী হয়—এইটা কেউ বুঝায় নাই।
বিজ্ঞাপন
বিদ্যানন্দ ইউনিয়নের ভোটার মো. নুর আলম জানান, গণভোট সম্পর্কে তেমন প্রচার-প্রচারণা
দেখিনি। মাইকেও শুনি নাই, কেউ লিফলেটও দেয় নাই।
রাজারহাট ইউনিয়নের ভোটার মো. রাশেদুল ইসলাম বলেন, মোবাইলে একটা মেসেজ পাইছি হ্যাঁ ভোট
বিজ্ঞাপন
দিতে। কিন্তু হ্যাঁ দিলে কী হবে বা না দিলে কী হবে—তা লেখা নাই।
অন্যদিকে কয়েকজন নারী ভোটার জানান, স্কুলে মা-সমাবেশে গণভোট নিয়ে একটু বলা হইছে, কিন্তু
এর বাইরে কেউ কিছু জানায় নাই।
বিজ্ঞাপন
নাজিমখান সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. আতাউর রহমান বলেন, গণভোট একটা গুরুত্বপূর্ণ জাতীয় বিষয়। কিন্তু বেশিরভাগ ভোটার জানে না এটা কেন হচ্ছে। সরকারের উচিত মাঠপর্যায়ে আরও প্রচারণা চালানো। এ ছাড়া দৈনিক জনবাণীতে দেয়া সাক্ষাৎকারে আমরা দেখেছি কিছু মানুষ ভুল ধারণা করছেন যে গণভোটের
মাধ্যমে সংবিধান থেকে ‘বিসমিল্লাহির রহমানির রহিম’ শব্দগুচ্ছ বাদ দেওয়া হবে।
বিজ্ঞাপন
সচেতন মহল মনে করেন, নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে যথাযথ প্রচার-প্রচারণা না থাকায় এ
বিভ্রান্তি তৈরি হয়েছে।
তাদের মতে, গণভোটে ভোটারদের সক্রিয় অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে হলে এখনই গ্রাম পর্যায়ে
বিজ্ঞাপন
তথ্যভিত্তিক প্রচার চালানো ও স্পষ্ট ধারণা দেওয়া জরুরি।








