জান্নাতের টিকিট দিতে পারবো না, কাজের প্রতিশ্রুতি দিতে পারি: বাবু খান

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে চুয়াডাঙ্গা-২ আসনে বিএনপির প্রচার-প্রচারণা আরও জমে উঠেছে। এরই অংশ হিসেবে জীবননগর উপজেলা ও পৌর বিএনপির উদ্যোগে অনুষ্ঠিত হয় গণমিছিল ও জনসভা।
বিজ্ঞাপন
রবিবার (৮ ফেব্রুয়ারি) বিকেলের দিকে জীবননগর শহরের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে গণমিছিলটি শেষ হয় স্টেডিয়াম মাঠে। নানা গ্রামের মানুষ, দলীয় নেতাকর্মী ও বিপুল সংখ্যক নারী ভোটারের উপস্থিতিতে জনসভাস্থল জনসমুদ্রে পরিণত হয়।
সভায় সভাপতিত্ব করেন জীবননগর উপজেলা বিএনপির সভাপতি আনোয়ার হোসেন খান খোকন। প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন চুয়াডাঙ্গা-২ আসনে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী মাহমুদ হাসান খান বাবু।
বিজ্ঞাপন
বক্তব্যে বাবু খান বলেন, আমরা কারও জান্নাতের টিকিট দিতে পারবো না। তবে বিজয়ী হলে বেকার যুবকদের কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করবো। জনগণের জীবনমান উন্নয়নে বাস্তবধর্মী কর্মসূচি নিয়েই আমরা মাঠে নেমেছি।

নারীদের জন্য নিরাপদ কর্মপরিবেশ, আধুনিক ও ধর্মীয় মূল্যবোধসমন্বিত শিক্ষাব্যবস্থা গড়ে তোলাই তাঁর অন্যতম অঙ্গীকার বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
তিনি আরও বলেন, বেগম খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে নারীর ক্ষমতায়নের যে যুগান্তকারী উদ্যোগগুলো বাস্তবায়িত হয়েছিল বিধবা ভাতা, বয়স্ক ভাতা, মেয়েদের দ্বাদশ শ্রেণি পর্যন্ত বিনামূল্যে শিক্ষা—এসবই প্রথম চালু করেছিল বিএনপি সরকার।
বিজ্ঞাপন
এসময় তিনি ঘোষণা দেন বিএনপি ক্ষমতায় গেলে ফ্যামিলি কার্ড চালু হবে, যার মালিকানা থাকবে পরিবারের প্রধান নারী সদস্যের অধীনে। পাশাপাশি স্বাস্থ্য কার্ড, কৃষক কার্ড কার্যক্রমও চালুর আশ্বাস দেন।
জনসভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চুয়াডাঙ্গা জেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক খালিদ মোহাম্মদ মিল্টন, জীবননগর উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি আক্তারুজ্জামান, উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক শাজাহান আলী, জীবননগর পৌরসভার সাবেক মেয়র আশরাফুল ইসলাম, উপজেলা বিএনপির সহসভাপতি আবুল কালাম আজাদ, জীবননগর পৌর বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও জেলা বিএনপির সদস্য মাহাতাব হোসেন চুন্নু, উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক মঈন উদ্দিন ময়েন, পৌর যুবদলের আহ্বায়ক হযরত আলী, উপজেলা সেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক এখলাচুর রহমান রাসেল, উপজেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক জিল্লুর রহমান ও সদস্য সচিব রিমন হোসেনসহ বিভিন্ন অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা।
বিজ্ঞাপন
অনুষ্ঠানটি সার্বিক উপস্থাপনায় ছিলেন জীবননগর পৌর বিএনপির সভাপতি শাজাহান কবির।
জীবননগরে এ দিনের পথসভা ও জনসমাবেশ প্রমাণ করেছে—আসন্ন নির্বাচনে চুয়াডাঙ্গা-২ আসনের রাজনীতি আরও উত্তপ্ত হয়ে উঠছে।








