Logo

দলের নাম ভাঙিয়ে চাঁদাবাজি করলে রেহাই নেই: এম নাসের রহমান

profile picture
জেলা প্রতিনিধি
মৌলভীবাজার
৪ মার্চ, ২০২৬, ২০:১৯
দলের নাম ভাঙিয়ে চাঁদাবাজি করলে রেহাই নেই: এম নাসের রহমান
ছবি: প্রতিনিধি

মৌলভীবাজার-৩ আসনের সংসদ সদস্য ও বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য এম নাসের রহমান মঙ্গলবার বলেন, “আজকের পর থেকে মৌলভীবাজারে ‘কিশোর গ্যাং’ শব্দটি আর শুনতে চাই না। কোনো ধরনের মাস্তানি বা চাঁদাবাজি টলারেট করা হবে না।”

বিজ্ঞাপন

বুধবার (৪ মার্চ) মৌলভীবাজার সদর উপজেলা কনফারেন্স রুমে উপজেলা পর্যায়ের সরকারি কর্মকর্তা ও জনপ্রতিনিধিদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন। সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. রাজিব হোসেনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় এম নাসের রহমান স্থানীয় প্রশাসনের কর্মকর্তাদের সতর্ক করে বলেন, চাঁদাবাজি করলে সেটি দলের নাম ভাঙিয়ে করতে হবে এবং সে যেই দলেরই হোক, ছাড় দেওয়া হবে না। তিনি বলেন, “চাঁদাবাজদের মার দেওয়া একেবারে ফরজে কেফেয়া। এ বিষয়ে কোনো টলারেন্স থাকবে না।”

পুলিশ প্রশাসনের দায়িত্ব প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “মানুষ যেন থানায় গিয়ে নির্বিঘ্নে সেবা নিতে পারেন। কোনো অভিযোগ যেন না থাকে। কোথাও কোনো পুলিশ সদস্য বাড়াবাড়ি করলে ব্যবস্থা নিতে হবে।” এ জন্য তিনি ওসিকে বিশেষ নির্দেশনা দেন।

বিজ্ঞাপন

তিনি আরও বলেন, আগামী ৬০ দিনের মধ্যে চাঁদাবাজি শব্দটি আর শোনা যাবে না। একইভাবে কিশোর গ্যাং শব্দটিও তিনি আর শুনতে চান না। এ বিষয়ে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ইতিমধ্যে কঠোর নির্দেশনা জারি করেছেন।

ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানদের উদ্দেশে এমপি বলেন, “আমি আপনাদের নিয়ে কাজ করতে চাই। স্থানীয় উন্নয়নে আপনারা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবেন।” সরকারি কর্মকর্তাদের উদ্দেশেও তিনি বলেন, “আপনারা যার যার দায়িত্ব নিষ্ঠার সঙ্গে পালন করবেন। কোনো সমস্যা হলে আমাকে জানাবেন। আমি সমাধানের চেষ্টা করবো এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেব।”

বিজ্ঞাপন

তিনি সাধারণ মানুষের সাথে সদাচরণ নিশ্চিত করার আহ্বান জানিয়ে বলেন, “যাতে কেউ সরকারি সেবা নিতে এসে হয়রানির শিকার না হন।” এছাড়া সভায় সরকারি বিভিন্ন বিভাগের কর্মকর্তারা স্ব স্ব বিভাগের কার্যক্রম তুলে ধরেন এবং এমপি তাৎক্ষণিকভাবে প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা দেন।

মতবিনিময় সভার পর এম নাসের রহমান উপজেলা কম্পাউন্ডে নারিকেল গাছের চারা রোপণ করেন। এ সময় জেলা ও উপজেলা বিএনপির নেতৃবৃন্দসহ বিভিন্ন সরকারি কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন, যার মধ্যে ছিলেন জেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সিনিয়র সদস্য আলহাজ্ব মো. আব্দুল মুকিত, বকসী মিসবাউর রহমান, মো. ফখরুল ইসলাম, সদর উপজেলা বিএনপির সভাপতি মুজিবুর রহমান মজনু, সাধারণ সম্পাদক মো. মারুফ আহমেদ, জেলা বিএনপির সাবেক প্রচার সম্পাদক মো. ইদ্রিস আলী এবং জেলা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক আকিদুর রহমান সোহান।

জেবি/আরএক্স

জনবাণী এর সকল স্বত্ব সংরক্ষিত। কপিরাইট © ২০২৬

Developed by: AB Infotech LTD