হরিণের মাংস ভাগাভাগির অভিযোগে খুলনায় দুই পুলিশ সদস্য প্রত্যাহার

খুলনার ডুমুরিয়া উপজেলায় হরিণের মাংসসহ আটক এক ব্যক্তিকে ঘুষ নিয়ে ছেড়ে দেওয়ার অভিযোগে দুই পুলিশ সদস্যকে প্রত্যাহার করা হয়েছে। একই সঙ্গে জব্দ করা হরিণের মাংস নিজেদের মধ্যে ভাগ করে নেওয়ার অভিযোগও উঠেছে তাদের বিরুদ্ধে।
বিজ্ঞাপন
রবিবার (১৭ মে) অভিযোগের প্রাথমিক সত্যতা পাওয়ার পর কনস্টেবল মো. মাইনুল ইসলাম ও মো. মুছাব্বির হোসেনকে খুলনা পুলিশ লাইন্সে সংযুক্ত করা হয়। তারা বাংলাদেশ পুলিশের ডুমুরিয়া থানার শোভনা পুলিশ ক্যাম্পে কর্মরত ছিলেন।
ডুমুরিয়া থানার পরিদর্শক (তদন্ত) আছের আলি জানান, গত ১২ মে সুফল মণ্ডল নামে এক ব্যক্তির বাড়ি থেকে হরিণের মাংস জব্দ করা হয়। পরে মামলা দেওয়ার ভয় দেখিয়ে অভিযুক্ত দুই পুলিশ সদস্য তার কাছ থেকে টাকা নেন বলে অভিযোগ ওঠে। এছাড়া জব্দ করা মাংস নিজেদের মধ্যে ভাগ করে নেওয়ারও অভিযোগ রয়েছে।
বিজ্ঞাপন
তিনি আরও জানান, ভুক্তভোগীদের সঙ্গে কথা বলে অভিযোগের প্রাথমিক সত্যতা পাওয়া গেছে। বিষয়টি পুলিশ সুপারকে অবহিত করা হয়েছে এবং তদন্ত চলছে।
পুলিশ জানিয়েছে, জব্দ করা মাংসের উৎস ও পরিমাণ যাচাই করা হচ্ছে। অভিযুক্তদের জিজ্ঞাসাবাদ শেষে বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করা হবে।
বিজ্ঞাপন
খুলনা জেলা পুলিশ সুপার তাজুল ইসলাম বলেন, আর্থিক লেনদেনের মাধ্যমে আটক ব্যক্তিকে ছেড়ে দেওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে। প্রাথমিক তদন্তে সত্যতা মেলায় দুই পুলিশ সদস্যকে সাময়িকভাবে প্রত্যাহার করা হয়েছে। তদন্ত শেষে অভিযোগ প্রমাণিত হলে তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।








