শিক্ষক, যুব ও ক্ষার্থীদের নিয়ে রাঙ্গামাটিতে জলবায়ু প্রশিক্ষণ

জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি মোকাবিলায় স্থানীয় পর্যায়ে সচেতনতা বৃদ্ধি এবং দক্ষ মানবসম্পদ গড়ে তোলার লক্ষ্যে রাঙ্গামাটিতে শিক্ষক, যুব ও শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে দুই দিনব্যাপী আবাসিক প্রশিক্ষণ কর্মশালা শুরু হয়েছে।
বিজ্ঞাপন
বুধবার (২৪ জুন) রাঙ্গামাটির যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের যুব প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে এ কর্মশালার উদ্বোধন করা হয়। আগামী ২৫ জুন পর্যন্ত প্রশিক্ষণ কার্যক্রম চলবে।
পরিবেশ অধিদপ্তর বাস্তবায়নাধীন বাংলাদেশের টেকসই উন্নয়ন কার্যক্রমে জলবায়ু পরিবর্তন অভিযোজন সংযুক্তকরণ প্রকল্পের আওতায় এই কর্মশালার আয়োজন করা হয়েছে। এতে অর্থায়ন করছে গ্লোবাল এনভায়রনমেন্ট ফ্যাসিলিটি-স্বল্পোন্নত দেশ তহবিল এবং কারিগরি সহায়তা দিচ্ছে জাতিসংঘ উন্নয়ন কর্মসূচি বাংলাদেশ।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পরিবেশ অধিদপ্তরের পরিচালক ও প্রকল্প পরিচালক মো. খালেদ হাসান। বিশেষ অতিথি ছিলেন রাঙ্গামাটি যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের উপপরিচালক মোহাং শাহজাহান এবং পরিবেশ অধিদপ্তর রাঙ্গামাটির সহকারী পরিচালক মো. মুমিনুল ইসলাম। এছাড়া জাতিসংঘ উন্নয়ন কর্মসূচির প্রকল্প প্রতিনিধি মো. আরিফুল ইসলাম শাহ ও রাবেয়া বেগম উপস্থিত ছিলেন।
বিজ্ঞাপন
প্রধান অতিথির বক্তব্যে মো. খালেদ হাসান বলেন, রাঙ্গামাটির প্রাকৃতিক পরিবেশ, সংরক্ষিত বনাঞ্চল এবং গ্রামীণ কমন বন রক্ষায় তরুণদের আরও সক্রিয় ভূমিকা পালন করতে হবে। জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব মোকাবিলায় সচেতনতা সৃষ্টি, পরিবেশ সংরক্ষণ এবং টেকসই উন্নয়ন কার্যক্রম বাস্তবায়নে যুবসমাজের অংশগ্রহণ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
তিনি আশা প্রকাশ করেন, এই প্রশিক্ষণ থেকে অর্জিত জ্ঞান কাজে লাগিয়ে অংশগ্রহণকারীরা নিজ নিজ এলাকায় জলবায়ু অভিযোজন কার্যক্রমে নেতৃত্ব দেবেন এবং পরিবেশ রক্ষায় কার্যকর ভূমিকা রাখবেন।

কর্মশালায় রাঙ্গামাটির বরকল ও কাপ্তাই উপজেলা থেকে নির্বাচিত ৪০ জন শিক্ষক, যুবক ও শিক্ষার্থী অংশ নিচ্ছেন। তাদের জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব, অভিযোজন কৌশল এবং স্থানীয় পর্যায়ে কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ বিষয়ে বাস্তবভিত্তিক জ্ঞান ও দক্ষতা প্রদান করা হবে।
বিজ্ঞাপন
দুই দিনব্যাপী প্রশিক্ষণে জলবায়ু পরিবর্তন ও অভিযোজন সম্পর্কে মৌলিক ধারণা, জলবায়ু-সহনশীল কৃষি, টেকসই সবুজ উদ্যোগে তরুণদের সম্পৃক্ততা, লিঙ্গসংবেদনশীল ও অন্তর্ভুক্তিমূলক জলবায়ু কার্যক্রম বাস্তবায়ন, নেতৃত্ব বিকাশ, জনসচেতনতা বৃদ্ধি এবং কৌশলগত কর্মপরিকল্পনা প্রণয়ন বিষয়ে আলোচনা করা হবে।








