প্রবাসীর স্ত্রীর সাথে পরকীয়া করায় পদ হারালেন জামায়াত নেতা

ফরিদপুরের বোয়ালমারীতে এক প্রবাসীর স্ত্রীর সঙ্গে পরকীয়া সম্পর্কের অভিযোগ ওঠার পর জামায়াতে ইসলামীর স্থানীয় এক নেতাকে দলীয় পদ থেকে প্রাথমিকভাবে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। অভিযোগের তদন্ত শেষে সত্যতা পাওয়া গেলে তাকে স্থায়ীভাবে দল থেকে বহিষ্কার করা হতে পারে বলে জানিয়েছে স্থানীয় জামায়াত নেতৃত্ব।
বিজ্ঞাপন
মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) দুপুরে বিষয়টি নিশ্চিত করেন বোয়ালমারী পৌরসভা জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি সৈয়দ সাজ্জাদ আলী।
অভিযোগের মুখে পড়া ওই নেতার নাম ইনামুল মোল্লা। বয়স ২৬ বছর। তিনি বোয়ালমারী পৌরসভার ৯ নম্বর ওয়ার্ড জামায়াতে ইসলামীর আমির হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন। পাশাপাশি বোয়ালমারী বাজারের মোল্লা ডাক্তার কে হালিম হাসপাতালে অভ্যর্থনাকারী হিসেবে চাকরি করেন।
আরও পড়ুন
বিজ্ঞাপন
দলীয় ও স্থানীয় সূত্রের বরাতে জানা গেছে, বোয়ালমারী পৌরসভার কুশাডাঙ্গা গ্রামের কুটিপাড়ার এক নারীর সঙ্গে ইনামুল মোল্লার দীর্ঘদিনের সম্পর্ক ছিল বলে অভিযোগ উঠেছে। ওই নারীর স্বামী বর্তমানে বিদেশে অবস্থান করছেন।
সম্প্রতি ইনামুল ও ওই নারীর কথিত সম্পর্কের বিষয়টি দুই পরিবারসহ স্থানীয় বিভিন্ন মহলে ছড়িয়ে পড়লে এলাকায় আলোচনা ও সমালোচনা শুরু হয়। এরপর বিষয়টি স্থানীয় জামায়াত নেতৃত্বের নজরে আসে।
বিজ্ঞাপন
অভিযোগের বিষয়ে ইনামুল মোল্লার বক্তব্য জানতে তার ব্যবহৃত দুটি মোবাইল নম্বরে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও দুটিই বন্ধ পাওয়া যায়। পরিবারের সদস্যদের সঙ্গেও যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।
ইনামুল মোল্লার কর্মস্থল বোয়ালমারী মোল্লা ডাক্তার কে হালিম হাসপাতালের ম্যানেজার রেজাউল করিম জানান, কয়েক দিন আগে ওই নারীর স্বামী বিদেশ থেকে তাকে ফোন করেন। ফোনে তিনি ইনামুলের সঙ্গে তার স্ত্রীর সম্পর্কের অভিযোগ তুলে বিষয়টি নিয়ে জানতে চান।
রেজাউল করিম বলেন, তিনি বিষয়টি আগে জানতেন না বলে ওই ব্যক্তিকে জানিয়েছিলেন। এরপর বিষয়টি নিয়ে কী ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া হবে, সে বিষয়ে তিনি কোনো সিদ্ধান্তের কথা জানাননি।
বিজ্ঞাপন
আরও পড়ুন
বোয়ালমারী পৌরসভা জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি সৈয়দ সাজ্জাদ আলী বলেন, প্রবাসীর স্ত্রীর সঙ্গে পরকীয়া সম্পর্কের অভিযোগের ভিত্তিতেই ইনামুল মোল্লাকে প্রাথমিকভাবে দলীয় পদ থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।
বিজ্ঞাপন
তিনি জানান, অভিযোগের বিষয়ে তদন্ত চলছে। তদন্তে অভিযোগের সত্যতা প্রমাণিত হলে ইনামুল মোল্লাকে দলীয় পদ থেকে স্থায়ীভাবে সরিয়ে দেওয়ার পাশাপাশি দল থেকেও বহিষ্কার করা হবে।
সৈয়দ সাজ্জাদ আলী আরও বলেন, কোনো ব্যক্তির অনৈতিক বা অনাকাঙ্ক্ষিত কর্মকাণ্ডের দায় দল নেবে না।








