বল্লার বাসা পোড়াতে গিয়ে আগুন, পুড়ে ছাই ৫ দোকান

রাজবাড়ীর পাংশা বাজারে বল্লার বাসা পোড়াতে গিয়ে পাটকাঠির পালায় লাগা আগুন ছড়িয়ে পড়ে পাঁচটি দোকান পুড়ে গেছে। শুক্রবার (৪ সেপ্টেম্বর) দুপুর ২টার দিকে শহরের বাড়েক মোড় এলাকায় এ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। আগুনে প্রায় কোটি টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি করেছেন ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীরা।
বিজ্ঞাপন
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, একটি বসতবাড়ির রান্নাঘরের পাশে পাটকাঠির পালা রাখা ছিল। সেখানে আগুন দিয়ে বল্লার বাসা পোড়ানোর সময় পাটকাঠিতে আগুন ধরে যায়। পরে সেই আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়লে মুহূর্তের মধ্যেই তা আশপাশের এলাকায় পৌঁছে যায়। একপর্যায়ে বাজারের পাঁচটি দোকানে আগুন ধরে যায় এবং দোকানগুলোর মালামাল পুড়ে ক্ষতিগ্রস্ত হয়।
অগ্নিকাণ্ডে পাংশা বণিক সমিতির সভাপতির দুটি দোকান ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এ ছাড়া কাঠের ফার্নিচার ব্যবসায়ী ক্ষীরোদ পালের একটি দোকানসহ মোট পাঁচটি দোকানে আগুনের ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।
আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়ায় ব্যবসায়ীদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। স্থানীয়রা আগুন নেভানোর চেষ্টা করলেও পরে খবর দেওয়া হয় ফায়ার সার্ভিসকে।
বিজ্ঞাপন
খবর পেয়ে পাংশা ফায়ার সার্ভিসের ২টি ইউনিট ও কালুখালী ফায়ার সার্ভিসের ১টি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ শুরু করে। প্রায় ১ ঘণ্টার চেষ্টায় আগুন পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে আসে।
পাংশা বণিক সমিতির সভাপতি বাহারাম সরদার বলেন, বাজারের পাশের একটি বসতবাড়ির আগুন থেকেই আমার দুটি দোকানসহ আরও তিনটি দোকানে আগুন লাগে। এতে প্রায় কোটি টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। এ ঘটনা থেকে সবাইকে শিক্ষা নিয়ে বসতবাড়ি ও আশপাশে আগুন ব্যবহারে সবাইকে আরও সতর্ক হওয়ার আহ্বান জানান তিনি।
কাঠের ফার্নিচার ব্যবসায়ী ক্ষীরোদ পাল বলেন, শুক্রবার দোকান বন্ধ ছিল। জন্মাষ্টমী উপলক্ষ্যে তিনি দোকানেও ছিলেন না। দোকানে মালামাল কেনার জন্য প্রায় ৫ লাখ টাকা নগদ রাখা ছিল। আগুনে নগদ টাকা ও দোকানের সব মালামাল পুড়ে গেছে।
বিজ্ঞাপন
রাজবাড়ী ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের উপসহকারী পরিচালক দেওয়ান সোহেল রানা বলেন, বসতবাড়ির রান্নাঘর থেকেই আগুনের সূত্রপাত হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে। পাংশা ফায়ার সার্ভিসের ২টি ইউনিট ও কালুখালী ফায়ার সার্ভিসের ১টি ইউনিট প্রায় ১ ঘণ্টার চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।
তিনি আরও বলেন, অগ্নিকাণ্ডে কী পরিমাণ ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে, তা তদন্ত শেষে নিশ্চিতভাবে জানা যাবে। আগুন লাগার প্রকৃত কারণ ও ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নির্ধারণে সংশ্লিষ্টরা বিষয়টি খতিয়ে দেখবেন।








