বাঞ্ছারামপুরে সংঘর্ষের ঘটনায় অস্ত্র ও বিস্ফোরক মামলা

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বাঞ্ছারামপুরে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের সংঘর্ষের ঘটনায় থানায় পৃথক দুটি মামলা হয়েছে। এসব মামলায় মোট ৭০ জনকে আসামি করা হয়েছে। এরই মধ্যে স্বাধীন নামে একজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। তিনি বর্তমানে চিকিৎসাধীন রয়েছেন বলে জানিয়েছে পুলিশ।
বিজ্ঞাপন
সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) রাতে বাঞ্ছারামপুর মডেল থানায় মামলা দুটি করা হয়। এর মধ্যে এমরান মিয়া বাদী হয়ে ১২ জনের নাম উল্লেখ করে অস্ত্র আইনে একটি মামলা করেন। অন্যদিকে জহিরুল ইসলাম বাদী হয়ে ৫৮ জনকে আসামি করে বিস্ফোরক ও মারামারির অভিযোগে অপর মামলাটি করেন।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, মামলা দায়েরের পর আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান শুরু হয়েছে। এরই মধ্যে স্বাধীন নামে একজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
আরও পড়ুন
বিজ্ঞাপন
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, উপজেলার সোনারামপুর ইউনিয়নের শান্তিপুর গ্রামের আজগর আলী সরকার বাড়ি ও সেবু সরকার বাড়ির লোকজনের মধ্যে আধিপত্য বিস্তার নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলে আসছে। গত ৩০ জুন দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এরপর থেকে সেবু সরকারের পক্ষের লোকজন এলাকায় ছিলেন না।
বিজ্ঞাপন
এরই ধারাবাহিকতায় গতকাল সোমবার ভোরে সেবু সরকারের নাতি মোক্তার হোসেন নরসিংদী থেকে লোকজন ভাড়া করে এনে প্রতিপক্ষের ওপর হামলা চালান বলে অভিযোগ রয়েছে। এ সময় দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ শুরু হলে কয়েকজন গুলিবিদ্ধসহ বেশ কয়েকজন আহত হন।
আহতদের উদ্ধার করে বাঞ্ছারামপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে চিকিৎসক জুয়েল মিয়াকে মৃত ঘোষণা করেন। সংঘর্ষের পর ঘটনাস্থল থেকে পাঁচ রাউন্ড গুলি, পাঁচটি ককটেল ও একটি দেশীয় তৈরি বন্দুক উদ্ধার করে পুলিশ।
এ বিষয়ে বাঞ্ছারামপুর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ইয়াছিন বলেন, সংঘর্ষের ঘটনায় থানায় দুটি মামলা হয়েছে। এর মধ্যে একটি অস্ত্র আইনে এবং অপরটি বিস্ফোরক ও মারামারির ঘটনায় করা হয়েছে। একজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তিনি বর্তমানে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। শান্তিপুর গ্রামে শান্তি ফিরিয়ে আনতে পুলিশ কাজ করছে।
বিজ্ঞাপন








