সীতাকুণ্ডে মাইক্রোবাসের ভয়াবহ দুর্ঘটনা, প্রাণ গেল মা-মেয়ের

চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি মাইক্রোবাস সড়কের পাশে থাকা বিলবোর্ডে সজোরে ধাক্কা দিয়েছে। এতে রোজি আক্তার ও তার মেয়ে নাজমা খাতুন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় নাজমা খাতুনের স্বামীসহ আরও চারজন গুরুতর আহত হয়েছেন।
বিজ্ঞাপন
বুধবার (২১ অক্টোবর) সকাল ৯টার দিকে উপজেলার বাড়বকুণ্ড এলাকার আনোয়ারা গেট এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহত রোজি আক্তার ও নাজমা খাতুন ঢাকার মোহাম্মদপুরের ইকবাল রোড এলাকায় বসবাস করতেন। তাদের গ্রামের বাড়ি জয়পুরহাটে। দুর্ঘটনায় আহত চারজনকে উদ্ধার করে সীতাকুণ্ড উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসক মা ও মেয়েকে মৃত ঘোষণা করেন। আহত ব্যক্তিদের চিকিৎসা চলছে।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, মাইক্রোবাসের যাত্রীরা মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) রাতে ঢাকার মোহাম্মদপুরের ইকবাল রোড থেকে বান্দরবানের লামার উদ্দেশে রওনা দেন। সেখানে একটি পারিবারিক অনুষ্ঠানে যোগ দেওয়ার কথা ছিল তাদের। বুধবার (২১ অক্টোবর) সকাল ৯টার দিকে মাইক্রোবাসটি সীতাকুণ্ড উপজেলার বাড়বকুণ্ড এলাকার আনোয়ারা গেট অতিক্রম করার সময় নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়কের পাশে থাকা একটি বিলবোর্ডে সজোরে ধাক্কা দেয়। এতে মাইক্রোবাসটি আটকে যায়।
বিজ্ঞাপন
আরও পড়ুন
বিজ্ঞাপন
পরে স্থানীয় লোকজন ও বারআউলিয়া হাইওয়ে থানা-পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে আহতদের উদ্ধার করে সীতাকুণ্ড উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে চিকিৎসক মা ও মেয়েকে মৃত ঘোষণা করেন। আহত চারজনের চিকিৎসা চলছে।
বারআউলিয়া হাইওয়ে থানার উপপরিদর্শক (এসআই) আমিনুর জামান দুর্ঘটনার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, ঢাকা থেকে ছেড়ে আসা মাইক্রোবাসটি বাড়বকুণ্ডের আনোয়ারা গেট এলাকায় পৌঁছালে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে বিলবোর্ডে ধাক্কা দেয়। আহতদের হাসপাতালে নেওয়ার পর চিকিৎসক দুজনকে মৃত ঘোষণা করেন।
পুলিশ আরও জানায়, নিহতরা ঢাকার মোহাম্মদপুরের ইকবাল রোড এলাকায় বসবাস করতেন। তাদের গ্রামের বাড়ি জয়পুরহাটে।
বিজ্ঞাপন
নিহত মা ও মেয়ের মরদেহ বর্তমানে সীতাকুণ্ড উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে রয়েছে। পরিবারের পক্ষ থেকে ময়নাতদন্ত ছাড়াই মরদেহ দুটি হস্তান্তরের আবেদন করা হয়েছে।








