ঘোড়াঘাটে মিথ্যা জিডির অভিযোগ, নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি গ্রামবাসীর

দিনাজপুরের ঘোড়াঘাট উপজেলায় নিজেদের বিরুদ্ধে দায়ের করা একটি সাধারণ ডায়েরিকে (জিডি) মিথ্যা ও হয়রানিমূলক দাবি করে সংবাদ সম্মেলন করেছেন বিন্যাগাড়ী গ্রামের কয়েকজন বাসিন্দা। এ ঘটনায় নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা উদ্ঘাটনের দাবি জানিয়েছেন তাঁরা।
বিজ্ঞাপন
রবিবার (২৫ অক্টোবর) বিন্যাগাড়ী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে গ্রামবাসীরা তাঁদের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ অস্বীকার করে প্রশাসনের কাছে ন্যায়বিচার ও হয়রানিমুক্ত পরিবেশ নিশ্চিত করার আহ্বান জানান।
সংবাদ সম্মেলনে মো. আলামিন, সাবিরুল ইসলাম, মইনুল ইসলাম ও আমজাদ হোসেন জানান, আব্দুল হালিম নামের এক ব্যক্তি গত ৫ আগস্ট ঘোড়াঘাট থানায় তাঁদের চারজনের বিরুদ্ধে ২১৭ নম্বর সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন। এতে গালিগালাজ, হুমকি ও মারধরের অভিযোগ আনা হয়েছে। তবে তাঁদের দাবি, এসব অভিযোগ সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত।
তাঁরা জানান, জমি ও পুকুরের মাছ নিয়ে বিরোধের জেরে ঘটনার সূত্রপাত। তবে জিডিতে উল্লেখ করা তথ্যের সঙ্গে বাস্তবতার মিল নেই বলে দাবি করেন তাঁরা। তাঁদের ভাষ্য, জিডিতে যে পুকুরের কথা বলা হয়েছে, সেখানে বাস্তবে কোনো পুকুর নেই; বরং জায়গাটি একটি পরিত্যক্ত গর্ত। এ ছাড়া বাদী ও বিবাদীদের বাড়ি একই গ্রামে বলে জিডিতে যে তথ্য উল্লেখ করা হয়েছে, সেটিও সঠিক নয় বলে দাবি তাঁদের।
বিজ্ঞাপন
সংবাদ সম্মেলনে গ্রামবাসীরা আরও অভিযোগ করেন, এলাকায় আব্দুল হালিমের মাদক ব্যবসার সঙ্গে সংশ্লিষ্টতা রয়েছে। তাঁদের দাবি, ওই কর্মকাণ্ডের প্রতিবাদ করায় তাঁদের সামাজিকভাবে হেয় করা ও হয়রানি করার উদ্দেশ্যে জিডিটি করা হয়েছে। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে স্বাধীনভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
গ্রামবাসীরা বলেন, তাঁরা আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল এবং সঠিক তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা সামনে আসুক, সেটিই চান। এ জন্য কোনো পক্ষের একতরফা বক্তব্যের ওপর নির্ভর না করে সংশ্লিষ্ট নথিপত্র, তথ্য-প্রমাণ ও বক্তব্য যাচাই করে নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানান তাঁরা।
একই সঙ্গে ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা এবং হয়রানি বন্ধে প্রশাসনের কার্যকর পদক্ষেপ কামনা করেন সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ব্যক্তিরা।








