পঞ্চগড়ে শীতের আগমনী বার্তা, একদিনে আরও কমলো তাপমাত্রা

হিমালয়কন্যা পঞ্চগড়ে ধীরে ধীরে কমতে শুরু করেছে তাপমাত্রা। দিনের বেলায় রোদের তীব্রতা থাকলেও সন্ধ্যার পর বাড়ছে ঠান্ডার অনুভূতি। রাত ও ভোরে কুয়াশার সঙ্গে হিমেল বাতাস শীতের আগমনী বার্তা দিচ্ছে। এক দিনের ব্যবধানে জেলার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা কমেছে শূন্য দশমিক ৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস।
বিজ্ঞাপন
সোমবার (২৬ অক্টোবর) সকাল ৯টায় তেঁতুলিয়া আবহাওয়া পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ১৬ দশমিক ১ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এ সময় বাতাসের আর্দ্রতা ছিল ৯০ শতাংশ।
এর আগের দিন রোববার (২৫ অক্টোবর) সকাল ৯টায় একই কেন্দ্রে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ১৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস। ওই দিন জেলার সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয় ৩১ দশমিক ৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস।
গত কয়েক দিন ধরে পঞ্চগড়ের তাপমাত্রা ১৭ থেকে ২০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে ওঠানামা করছিল। তবে সাম্প্রতিক সময়ে তাপমাত্রা কমে ১৬ ডিগ্রির ঘরে নেমে এসেছে। এতে জেলার বিভিন্ন এলাকায় শীতের অনুভূতি বাড়তে শুরু করেছে।
বিজ্ঞাপন
স্থানীয়দের ভাষ্য অনুযায়ী, ভোরে সূর্যের দেখা মিললেও দিনের বেশির ভাগ সময় রোদ থাকে বেশ উজ্জ্বল। তবে সন্ধ্যা নামার সঙ্গে সঙ্গে আবহাওয়ার পরিবর্তন ঘটে। রাত গভীর হওয়ার সঙ্গে ঠান্ডা বাড়ে, পাশাপাশি ভোর পর্যন্ত বিভিন্ন এলাকায় কুয়াশা দেখা যায়।
তারা জানান, ভোরের হিমেল বাতাস ও কুয়াশায় শীতের আমেজ স্পষ্ট হয়ে উঠছে। তবে দিনের বেলায় রোদ ওঠার পর ঠান্ডার অনুভূতি অনেকটাই কমে যায়।
তেঁতুলিয়া আবহাওয়া পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জিতেন্দ্র নাথ রায় জানান, পঞ্চগড়ে তাপমাত্রা ধীরে ধীরে কমতে শুরু করেছে। রাত ও ভোরে কুয়াশার প্রবণতাও বাড়ছে।
বিজ্ঞাপন
তিনি বলেন, দিনের বেলায় তাপমাত্রা তুলনামূলক বেশি থাকায় গরম অনুভূত হচ্ছে। অন্যদিকে, রাত ও ভোরে ঠান্ডা বাড়ছে। আগামী দিনগুলোতে তাপমাত্রা আরও কমতে পারে, ফলে শীতের অনুভূতিও বাড়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
আবহাওয়ার এই পরিবর্তনে পঞ্চগড়ে ঋতু পরিবর্তনের প্রভাব ক্রমেই স্পষ্ট হয়ে উঠছে। বিশেষ করে রাত ও ভোরের ঠান্ডা এবং কুয়াশা শীতের আগমনের ইঙ্গিত দিচ্ছে।







