মধুমতীর তীরে শুভ্র কাশফুলের মেলা, মুগ্ধ দর্শনার্থীরা

শরতের আগমনে শুভ্র কাশফুলে সেজে উঠেছে ফরিদপুরের মধুমতি নদীর তীর ও চরাঞ্চল। বিশেষ করে কামারখালী ও সালামতপুর ঘাটসংলগ্ন নদীপাড়জুড়ে কাশফুলের শুভ্র সমারোহ প্রকৃতিপ্রেমী, ভ্রমণপিপাসু ও কনটেন্ট নির্মাতাদের কাছে হয়ে উঠেছে অন্যতম আকর্ষণ।
বিজ্ঞাপন
সরেজমিনে দেখা যায়, নদীর তীরজুড়ে দুলছে সাদা কাশফুল। হাতে মোবাইল ফোন বা ক্যামেরা নিয়ে প্রিয়জনদের সঙ্গে সেখানে ভিড় করছেন দর্শনার্থীরা। কেউ ছবি তুলছেন, কেউ ভিডিও ধারণ করছেন, আবার কেউ শরতের প্রকৃতি উপভোগে সময় কাটাচ্ছেন। কামারখালী ব্রিজের উপর থেকেই দেখা যায় কাশফুলের সৌন্দর্য। ব্রিজটিতে যুক্ত করেছে মাগুরা ও ফরিদপুর দুটি জেলাকে। যার ফলে এখানে দুটি জেলার লোকের মিলনমেলায়রুপ নেই। শুক্র ও শনিবার বন্ধের দিনে এখানে প্রচুর দর্শনার্থীর ভীর জমে।
কামারখালী বীরশ্রেষ্ঠ আব্দুর রউফ ডিগ্রি কলেজের শিক্ষার্থী অহনা খাতুন জানান, বান্ধবী ও ছোট বোনকে নিয়ে কাশফুল দেখতে এসেছেন। কাশফুলের সৌন্দর্যে তিনি মুগ্ধ হয়েছেন।
আরও পড়ুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
কামারখালী ইউনিয়নের সমাজসেবক মোঃ দেলোয়ার হোসেন বলেন, পরিবারকে নিয়ে অনেকে কামারখালী ব্রিজের নিচে আসেন। নদীর কূল ধরে হাটলেই কাশফুলে ঘেরা দৃশ্য। সেই দৃশ্য ক্যামেরাতে বন্দি করতে ব্যস্ত অনেকে।
মধুখালী প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মেহেদী হোসেন পলাশ বলেন, শরৎকালে কাশফুলের সৌন্দর্য উপভোগ করতে প্রতিদিন অনেক মানুষ নদী তীরে ভিড় করেন। পরিবার-পরিজন নিয়ে প্রকৃতির সান্নিধ্যে সময় কাটানোর জন্য এটি একটি আকর্ষণীয় স্থান।
কামারখালী সরকারি বীরশ্রেষ্ঠ আব্দুর রউফ ডিগ্রী কলেজের বাংলা বিভাগের সহকারী অধ্যাপক হাফিজুর রহমান বলেন, সাহিত্য ও কবিতায় কাশফুলের কথা অনেক লেখক উল্লেখ করেছেন। মধুমতির তীরে কাশফুলের অপরূপ সৌন্দর্য কাছ থেকে দেখে মুগ্ধ হয়েছেন।
বিজ্ঞাপন








