অটোমেশন প্রযুক্তিতে গাকৃবির নতুন কৃষি উদ্যোগ

নিয়ন্ত্রিত পরিবেশে কৃষি গবেষণা ও আধুনিক অটোমেশন প্রযুক্তির সমন্বয়ে দ্রুত ফসল প্রজনন এবং বছরব্যাপী টেকসই উৎপাদন নিশ্চিত করতে নতুন উদ্যোগ নিয়েছে গাজীপুর কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় (গাকৃবি)। এ লক্ষ্যকে সামনে রেখে বিশ্ববিদ্যালয়ে অনুষ্ঠিত হয়েছে একটি বিশেষ কর্মশালা।
বিজ্ঞাপন
বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল) বিশ্ববিদ্যালয়ের পুরাতন অডিটোরিয়ামে ‘নিয়ন্ত্রিত পরিবেশে কৃষি গবেষণার মাধ্যমে দ্রুত প্রজনন ও সারা বছর টেকসই ফসল উৎপাদনে উদ্ভাবনী স্বয়ংক্রিয় প্রযুক্তির ব্যবহার’ শীর্ষক কর্মশালাটি অনুষ্ঠিত হয়। হায়ার এডুকেশন অ্যাক্সিলারেশন অ্যান্ড ট্রান্সফরমেশন (হিট) প্রকল্পের অর্থায়নে কর্মশালার আয়োজন করা হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. জিকেএম মোস্তাফিজুর রহমান। সভাপতিত্ব করেন প্রকল্পের উপ-প্রকল্প ব্যবস্থাপক প্রফেসর ড. মোহাম্মদ শরীফ রায়হান।
বিজ্ঞাপন
বিশেষ অতিথি ছিলেন প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. এম. ময়নুল হক এবং ট্রেজারার প্রফেসর ড. মো. সফিউল ইসলাম আফ্রাদ। ইন্ডাস্ট্রি পার্টনার হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সিনকস গ্রুপের পরিচালনা ব্যবস্থাপক নাসিক আক্কাস।
কর্মশালায় দেশের শীর্ষ কৃষি গবেষণা প্রতিষ্ঠান ও বীজ কোম্পানির প্রতিনিধিরা অংশ নেন। উপস্থিত ছিলেন বারি, ব্রি, বিনা, লাল তীর, সুপ্রীম সীড, এসিআই সীড, ইস্ট-ওয়েস্ট সীড ও প্যারামাউন্ট অ্যাগ্রোর কর্মকর্তারা। এছাড়া বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় ও গাকৃবির শিক্ষক, গবেষক, শিক্ষার্থী এবং বিভিন্ন অনুষদের ডিন ও প্রশাসনিক কর্মকর্তারাও অংশগ্রহণ করেন।
অনুষ্ঠানের শুরুতে স্বাগত বক্তব্য দেন সহযোগী উপ-প্রকল্প ব্যবস্থাপক প্রফেসর ড. এ. কে. এম. আমিনুল ইসলাম। পরে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন প্রফেসর ড. মোহাম্মদ শরীফ রায়হান। তিনি প্রকল্পের উদ্দেশ্য, কার্যক্রম এবং ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা তুলে ধরেন।
বিজ্ঞাপন
পরে ভাইস-চ্যান্সেলরের নেতৃত্বে অনুষ্ঠিত উন্মুক্ত আলোচনা ও প্রশ্নোত্তর পর্বে প্রকল্পের সম্ভাবনা, চ্যালেঞ্জ এবং কৃষি গবেষণাকে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে আরও কার্যকরভাবে কাজে লাগানোর বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে ভাইস-চ্যান্সেলর বলেন, প্রযুক্তিনির্ভর কৃষি গবেষণা এখন সময়ের দাবি। জলবায়ু পরিবর্তন ও খাদ্য নিরাপত্তার চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় নিয়ন্ত্রিত পরিবেশে উদ্ভাবনী গবেষণা এবং অটোমেশন প্রযুক্তির ব্যবহার কৃষিকে আরও টেকসই ও উৎপাদনশীল করে তুলবে।
বিজ্ঞাপন
সমাপনী বক্তব্যের মধ্য দিয়ে কর্মশালার সমাপ্তি হয়। আয়োজকরা জানান, এ কর্মশালা গবেষণা, জ্ঞান বিনিময় এবং ভবিষ্যৎ কৌশলগত অংশীদারিত্ব গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।








