ইবিতে বাসে উচ্চস্বরে আড্ডা নিয়ে মারধরের ঘটনা, ক্যাম্পাসে উত্তেজনা

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের বাসে উচ্চস্বরে আড্ডা ও চিল্লাচিল্লি কেন্দ্র করে সিনিয়র-জুনিয়র শিক্ষার্থীদের মধ্যে বাগবিতণ্ডা, মারধর এবং পরে দুই বিভাগের শিক্ষার্থীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে।
বিজ্ঞাপন
ভুক্তভোগী বায়োটেকনোলজি অ্যান্ড জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের ২০২০-২১ বর্ষের শিক্ষার্থী অন্তর বিশ্বাস এবং অভিযুক্ত লোকপ্রশাসন বিভাগের ২০১৯-২০ বর্ষের শিক্ষার্থী সাইমুন আহমেদ হৃদয়।
রবিবার (১৭ মে) ক্যাম্পাস থেকে ঝিনাইদহগামী ডাবল ডেকার ‘মধুমতি’ বাসে এ ঘটনা ঘটে। পরে রাত সাড়ে ৮টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটকে বায়োটেকনোলজি অ্যান্ড জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং ও লোকপ্রশাসন বিভাগের শিক্ষার্থীদের মধ্যে দফায় দফায় মারধর ও সংঘর্ষের ঘটনাও ঘটে।
বিজ্ঞাপন
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, বিকেল ৪টার দিকে ঝিনাইদহগামী বাসে কয়েকজন শিক্ষার্থী উচ্চস্বরে আড্ডা ও চিল্লাচিল্লি করছিলেন। এতে বিরক্ত হয়ে কয়েকজন তাদের থামতে বলেন। একপর্যায়ে উভয় পক্ষের মধ্যে কথা কাটাকাটি শুরু হয় এবং পরে তা মারধরে রূপ নেয়।
ভুক্তভোগী অন্তর বিশ্বাসের দাবি, তিনি শুধু বাসে চিল্লাচিল্লি না করতে বলেছিলেন। পরে অভিযুক্ত শিক্ষার্থী তার সেশন জানতে চান এবং পরিচয় দেওয়ার পর ‘জুনিয়র হয়ে কথা বলার’ বিষয় নিয়ে তাকে মারধর করেন। তিনি অভিযুক্ত শিক্ষার্থীর বহিষ্কার ও আইনগত ব্যবস্থা দাবি করেছেন।
অন্যদিকে অভিযুক্ত সাইমুন আহমেদ হৃদয় বলেন, মাস্টার্স পরীক্ষা শেষে বন্ধুরা মিলে আড্ডা দিচ্ছিলেন। তার দাবি, প্রথমে ধাক্কাধাক্কির ঘটনা ঘটে এবং পরে দুপক্ষের মধ্যে হাতাহাতি হয়। ভাইরাল হওয়া ভিডিওকে তিনি “কাটছাঁট” বলে দাবি করেন। তবে পরে ভুক্তভোগীকে ‘সরি’ বলেছেন বলেও জানান।
বিজ্ঞাপন
লোক প্রশাসন বিভাগের সভাপতি ড. মো. ফকরুল ইসলাম বলেন, অভিযোগ সত্য প্রমাণিত হলে অভিযুক্ত শিক্ষার্থীকে শাস্তির আওতায় আনা হবে। একই সঙ্গে তিনি শিক্ষার্থীদের আইন নিজের হাতে তুলে না নেওয়ার আহ্বান জানান।
বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর ড. শাহিনুজ্জামান জানান, ভুক্তভোগীর সঙ্গে কথা বলা হয়েছে এবং অভিযোগপত্র পাওয়ার পর প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।








