অর্থসংকটে ঢাবি শিক্ষার্থীর পাশে ছাত্রদল নেতা সাজিদ হাসান

অর্থসংকটের কারণে ভর্তি কার্যক্রম নিয়ে অনিশ্চয়তায় পড়া ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের এক শিক্ষার্থীর পাশে দাঁড়িয়ে সহায়তার হাত বাড়িয়েছেন জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় নেতা সাজিদ হাসান। তার ব্যক্তিগত সহযোগিতায় শেষ পর্যন্ত ভর্তি সম্পন্ন করতে সক্ষম হয়েছেন ওই শিক্ষার্থী।
বিজ্ঞাপন
সাজিদ হাসান কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের সাবেক সাহিত্য ও প্রকাশনা সম্পাদক। এছাড়া জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের আন্দোলনে অংশ নিয়ে কারাবরণও করেছিলেন। শিক্ষার্থীর প্রতি তার এই মানবিক উদ্যোগ বিভিন্ন মহলে প্রশংসিত হয়েছে।
সহায়তাপ্রাপ্ত শিক্ষার্থী ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের লোকপ্রশাসন বিভাগের ২০২৪-২৫ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী এবং বর্তমানে হাজী মুহম্মদ মুহসীন হলের আবাসিক ছাত্র। পারিবারিক আর্থিক সংকটের কারণে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ভর্তি ফি জোগাড় করতে না পারায় তার ভর্তি কার্যক্রম অনিশ্চয়তার মুখে পড়ে।
বিজ্ঞাপন
জানা যায়, সংকটময় পরিস্থিতিতে নিজ এলাকার এক বড় ভাইয়ের মাধ্যমে সাজিদ হাসানের সঙ্গে যোগাযোগ করেন ওই শিক্ষার্থী। বিষয়টি জানার পর সাজিদ সরাসরি তার সঙ্গে কথা বলেন এবং বিভিন্নভাবে তথ্য যাচাই করে ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত হন। পরে তিনি মোবাইল ব্যাংকিং সেবার মাধ্যমে প্রয়োজনীয় অর্থ পাঠিয়ে দেন, ফলে শিক্ষার্থী নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই ভর্তি কার্যক্রম সম্পন্ন করতে সক্ষম হন।
সহায়তা পেয়ে আবেগাপ্লুত ওই শিক্ষার্থী বলেন, টাকার অভাবে তার পড়াশোনা প্রায় বন্ধ হওয়ার উপক্রম হয়েছিল। এমন সময়ে সাজিদ হাসান যেভাবে পাশে দাঁড়িয়েছেন, তা তাকে নতুন করে অনুপ্রাণিত করেছে। অতীতেও তার বিভিন্ন মানবিক কর্মকাণ্ডের কথা শুনেছিলেন বলেই সহযোগিতার জন্য তার কাছে গিয়েছিলেন বলে জানান তিনি।
বিজ্ঞাপন
এ বিষয়ে সাজিদ হাসান বলেন, “ছাত্রদল সবসময় শিক্ষার্থীবান্ধব রাজনীতি করে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন মেধাবী শিক্ষার্থীর পড়াশোনা শুধু অর্থের অভাবে বন্ধ হয়ে যাবে, এটি কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না। তাই ব্যক্তিগতভাবে যতটুকু সম্ভব, তার পাশে দাঁড়ানোর চেষ্টা করেছি।”
তিনি আরও বলেন, “ছাত্ররাজনীতির মূল লক্ষ্য হওয়া উচিত সাধারণ শিক্ষার্থীদের সেবা করা এবং তাদের যেকোনো সংকটে পাশে থাকা। ছাত্ররাজনীতি শুধু আন্দোলন বা সংগঠনকেন্দ্রিক না হয়ে মানবিক দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রও তৈরি করা উচিত।”








