বিএমইউতে যথাযোগ্য মর্যাদায় ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস’ পালিত

রাজধানীর পল্লবীতে অবস্থিত বাংলাদেশ মেরিটাইম ইউনিভার্সিটিতে (বিএমইউ) যথাযোগ্য ভাবগাম্ভীর্য ও মর্যাদার সঙ্গে জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস পালন করা হয়েছে। দিবসটি উপলক্ষে জুলাই গণঅভ্যুত্থানে শহীদ ও আহতদের স্মরণে বিভিন্ন কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।
বিজ্ঞাপন
কর্মসূচির শুরুতে বাংলাদেশ মেরিটাইম ইউনিভার্সিটি ফটোগ্রাফি ক্লাব আয়োজিত 'ক্যানভাসে জুলাই' শীর্ষক একটি আর্ট এক্সিবিশনের উদ্বোধন করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য রিয়ার অ্যাডমিরাল ড. খন্দকার আখতার হোসেন, এনবিপি, এনইউপি, এনডিসি, পিএসসি, পিএইচডি। এ সময় তিনি প্রদর্শনী ঘুরে দেখেন এবং শিক্ষার্থীদের সৃজনশীলতা, শিল্পচর্চা ও দেশপ্রেমের বহিঃপ্রকাশের ভূয়সী প্রশংসা করেন। পরে প্রদর্শনীতে বিজয়ী শিক্ষার্থীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করেন তিনি।
এরপর বিশ্ববিদ্যালয়ের অডিটোরিয়ামে আয়োজিত এক আলোচনা অনুষ্ঠানে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের স্মৃতিচারণ করা হয় এবং এর ঐতিহাসিক তাৎপর্য তুলে ধরা হয়। বক্তারা জুলাই গণঅভ্যুত্থানে শহীদদের আত্মত্যাগ গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেন এবং তাঁদের আদর্শ ও দেশপ্রেম থেকে অনুপ্রাণিত হয়ে একটি বৈষম্যহীন, মানবিক ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ বিনির্মাণে নিজ নিজ অবস্থান থেকে ভূমিকা রাখার আহ্বান জানান। তাঁরা বলেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের চেতনা নতুন প্রজন্মের মধ্যে ছড়িয়ে দিতে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
আরও পড়ুন
বিজ্ঞাপন
অনুষ্ঠানে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য, বিভিন্ন অনুষদের ডিন, শিক্ষক, কর্মকর্তা, কর্মচারী এবং শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।
বিজ্ঞাপন
অনুষ্ঠানের একপর্যায়ে জুলাই গণঅভ্যুত্থানে আহত বাংলাদেশ মেরিটাইম ইউনিভার্সিটির শিক্ষার্থীদের আর্থিক অনুদান প্রদান করে। এছাড়াও জুলাই গণঅভ্যুত্থানে শহীদদের আত্মার মাগফিরাত এবং আহতদের দ্রুত সুস্থতা কামনায় দোয়া করে।
জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস উপলক্ষে আয়োজিত এ কর্মসূচির মাধ্যমে বাংলাদেশ মেরিটাইম ইউনিভার্সিটি শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন এবং আহতদের প্রতি সংহতি প্রকাশের পাশাপাশি নতুন প্রজন্মের মধ্যে দেশপ্রেম, মানবিক মূল্যবোধ ও জাতীয় চেতনা বিকাশে তার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করে।








