জুলাই স্মরণে তিতুমীরে ৫০০ শিক্ষার্থীর ‘রান ফর ভিক্টোরি ২.০’

জুলাই গণঅভ্যুত্থানে নিহতদের স্মরণ এবং তাদের আত্মত্যাগের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে সরকারি তিতুমীর কলেজ শাখা ইসলামী ছাত্রশিবিরের উদ্যোগে অনুষ্ঠিত হয়েছে ‘রান ফর ভিক্টোরি ২.০’ শীর্ষক ম্যারাথন। ‘মাইলস ফর মার্টিয়ার্স’ স্লোগানে আয়োজিত এই কর্মসূচিতে পাঁচ শতাধিক শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করেন।
বিজ্ঞাপন
বুধবার (৫ আগস্ট) ভোর সাড়ে ৬টায় সরকারি তিতুমীর কলেজের প্রধান ফটক থেকে ম্যারাথনের আনুষ্ঠানিক সূচনা হয়। নির্ধারিত রুট অনুসারে অংশগ্রহণকারীরা কলেজ ক্যাম্পাস থেকে গুলশান-১ পর্যন্ত দৌড়ে আবার কলেজের প্রধান ফটকে ফিরে আসেন।
ম্যারাথন চলাকালে অংশগ্রহণকারী শিক্ষার্থীরা জুলাই আন্দোলনের বিভিন্ন স্লোগান দেন। এতে পুরো আয়োজনজুড়ে উৎসাহ-উদ্দীপনা ও প্রাণবন্ত পরিবেশের সৃষ্টি হয়।
আরও পড়ুন
বিজ্ঞাপন
আয়োজকদের পক্ষ থেকে জানানো হয়, জাতীয় গুরুত্বপূর্ণ দিবস এবং দেশের ঐতিহাসিক ঘটনাগুলোকে স্মরণীয় করে রাখতে ভবিষ্যতেও শিক্ষার্থীদের সম্পৃক্ততায় এমন সচেতনতামূলক ও ইতিবাচক কর্মসূচি আয়োজন করা হবে।
বিজ্ঞাপন
ম্যারাথন শেষে সরকারি তিতুমীর কলেজ শাখা ইসলামী ছাত্রশিবিরের সেক্রেটারি সোহেল রানা বলেন, এটি তাদের দ্বিতীয় ‘রান ফর ভিক্টোরি’ আয়োজন। প্রত্যাশার তুলনায় অনেক বেশি শিক্ষার্থী এতে অংশ নিয়েছেন বলে তিনি উল্লেখ করেন।
তিনি আরও বলেন, দেশের বিভিন্ন এলাকায় নানা ধরনের অস্থিরতা দেখা গেলেও তিতুমীর কলেজ ক্যাম্পাসে কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি। বিভিন্ন ছাত্রসংগঠনের মধ্যে সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রয়েছে এবং ভবিষ্যতেও সেই সম্প্রীতি অক্ষুণ্ন থাকবে বলে তারা আশা করেন।
আরও পড়ুন
বিজ্ঞাপন
কলেজ শাখা ছাত্রশিবিরের সভাপতি খাদেমুল ইসলাম বলেন, পাঁচ শতাধিক শিক্ষার্থীর অংশগ্রহণে এই ম্যারাথনের আয়োজনের মূল লক্ষ্য ছিল জুলাইয়ের চেতনা, আত্মত্যাগ এবং প্রত্যাশাকে নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরা। পাশাপাশি ক্যাম্পাসে শান্তিপূর্ণ সহাবস্থানের সংস্কৃতি ধরে রাখার প্রতিশ্রুতিও পুনর্ব্যক্ত করেন তিনি।
বিজ্ঞাপন
তিনি আরও বলেন, তাদের দৃষ্টিতে ৫ আগস্ট বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসের একটি গুরুত্বপূর্ণ দিন। সেই দিনের ঘটনাপ্রবাহ ও স্মৃতিকে ধারণ করেই প্রতীকী এই ম্যারাথনের আয়োজন করা হয়েছে।
আয়োজকদের মতে, শুধু একটি ক্রীড়া আয়োজন নয়, বরং শিক্ষার্থীদের মধ্যে ইতিহাস, গণসচেতনতা এবং সামাজিক সম্প্রীতির বার্তা ছড়িয়ে দেওয়াই ছিল ‘রান ফর ভিক্টোরি ২.০’-এর অন্যতম উদ্দেশ্য।








